• ১৭ কার্তিক ১৪৩৩, শনিবার ০৭ নভেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Sri Lanka

খেলার দুনিয়া

গল দুর্গে ফাটল ভারতীয় স্পিনের ঘুর্নীতে, বিরাট রানে জয়! বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দৌড়ে বড় ধাক্কা শ্রীলঙ্কাকে, ম্যাচের নায়ক মানব সুতার

গল দুর্গে শেষ দিনে ভারতীয় স্পিনের সামনে দাঁড়াতেই পারল না শ্রীলঙ্কা। টেস্টের প্রথম চার দিন লড়াই জমে উঠলেও পঞ্চম দিনে মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ম্যাচের ভাগ্য নিজেদের দিকে ঘুরিয়ে নিল ভারত। শ্রীলঙ্কার দ্বিতীয় ইনিংসের বাকি ছটি উইকেট তুলে নিয়ে ১৬৫ রানে প্রথম টেস্ট জিতে নিল ভারত। আর এই জয়ের সবচেয়ে বড় নায়ক বাঁহাতি স্পিনার মানব সুতার।জয়ের জন্য শ্রীলঙ্কার সামনে ছিল ৩৭২ রানের কঠিন লক্ষ্য। চতুর্থ দিনের শেষে তাদের স্কোর ছিল ৮৪ রানে ৪ উইকেট। ফলে শেষ দিনে ভারতের দরকার ছিল আর ছটি উইকেট, আর শ্রীলঙ্কার প্রয়োজন ছিল আরও ২৮৮ রান। শেষ পর্যন্ত কোনওটাই করতে পারেনি তারা। ২০৬ রানেই শেষ হয়ে যায় শ্রীলঙ্কার দ্বিতীয় ইনিংস।এক ওভারেই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিলেন মানবপ্রথম টেস্টে সারাংশ জৈন নাকি মানব সুতারকাকে খেলানো হবে, তা নিয়ে ম্যাচের আগে যথেষ্ট আলোচনা হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত সুযোগ পান মানব। আর সেই সুযোগের পূর্ণ সদ্ব্যবহার করলেন তিনি।দুই ইনিংস মিলিয়ে ১০ উইকেট নিয়ে অভিষেক টেস্টেই নিজের জাত চিনিয়ে দিলেন বাঁহাতি স্পিনার। বিশেষ করে পঞ্চম দিনে তাঁর বোলিংই ম্যাচের চিত্র পুরোপুরি বদলে দেয়।দীর্ঘক্ষণ উইকেটের জন্য অপেক্ষা করার পর রবীন্দ্র জাডেজা ধনঞ্জয় ডিসিলভাকে ফিরিয়ে ভারতকে প্রথম সাফল্য এনে দেন। ১৫১ বলে ৫৯ রান করে ধনঞ্জয় মানবের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। এরপর নিরোশান ডিকওয়েলাকে ১০ রানে তুলে নেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ।তবে ভারতের আসল আঘাত আসে মধ্যাহ্নভোজের পর।দিনুশার ৮৪-র লড়াইও শেষ মানবের হাতেশ্রীলঙ্কার হয়ে এক প্রান্ত আগলে রেখেছিলেন সোনাল দিনুশা। দীর্ঘ সময় ধরে ভারতীয় বোলারদের যাবতীয় চেষ্টা ব্যর্থ করে দিচ্ছিলেন তিনি। তাঁকে যোগ্য সঙ্গ দিচ্ছিলেন কেশর নুয়ান্তা। ভারতের কাছে তখন প্রতিটি রানই হয়ে উঠেছিল বড় উদ্বেগের কারণ।কিন্তু ৭৬তম ওভারের প্রথম বলেই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন মানব। ৮৪ রানে থাকা দিনুশাকে ফেরান তিনি। সামনে এগিয়ে এসে শট খেলতে গিয়ে লেগ গালিতে ধ্রুব জুরেলের হাতে ক্যাচ দেন দিনুশা।এরপর যেন তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে শ্রীলঙ্কার ইনিংস।ওই ওভারেই আরও দুই উইকেট তুলে নেন মানব। প্রভাত জয়সূর্যকে ওভারের দ্বিতীয় বলেই ফেরান তিনি। এরপর লাহিরু কুমারা তিন বল খেলার পর মানবের ওভারের শেষ বলে ক্যাচ দেন ঋষভ পন্থের হাতে।এক ওভারে তিন উইকেটএই ধাক্কা আর সামলাতে পারেনি শ্রীলঙ্কা।এরপর জাডেজার ওভারে একটি রিভিউ নষ্ট করে ভারত। হাতে আর কোনও রিভিউ অবশিষ্ট ছিল না। কিন্তু তাতেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হারায়নি তারা। লড়াই চালিয়ে যাওয়া নুয়ান্তাকেও ৭৮তম ওভারে ফিরিয়ে দেন মানব। চতুর্থ বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন নুয়ান্তা। সেই উইকেটের সঙ্গেই কার্যত নিশ্চিত হয়ে যায় ভারতের জয়।১০ উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা মানবপ্রথম টেস্টে সুযোগ পাওয়া নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও মাঠে তার কোনও প্রভাব পড়তে দেননি মানব সুতার। দুই ইনিংসে মোট ১০ উইকেট নিয়ে তিনি শুধু ম্যাচের সেরা বোলারই নন, ভারতের জয়ের মূল কারিগর হয়ে উঠলেন।গলে একসময় বাঁহাতি স্পিনের সমার্থক হয়ে উঠেছিলেন রঙ্গনা হেরাথ। এবার সেই গলেই ভারতীয় বাঁহাতি স্পিনার মানব সুতারের দাপট দেখল শ্রীলঙ্কা।জয় এল, কিন্তু চিন্তা বাড়াল টপ অর্ডার১৬৫ রানের বড় জয় পেলেও ভারতীয় দলের জন্য সবকিছু স্বস্তির নয়। বিশেষ করে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে শুভমন গিল এবং যশস্বী জয়সওয়ালের ব্যাটিং ফর্ম।শুভমন প্রথম ইনিংসে করেন ১৬ রান, দ্বিতীয় ইনিংসে তাঁর ব্যাট থেকে আসে মাত্র ৮। যশস্বীর দুই ইনিংসের সংগ্রহ ৩২ ও শূন্য। অর্থাৎ দলের দুই গুরুত্বপূর্ণ টপ অর্ডার ব্যাটারের কাছ থেকে প্রত্যাশিত রান আসেনি।তাঁদের ব্যর্থতার কারণে ভারতীয় ব্যাটিংয়ের উপর চাপও তৈরি হয়েছিল। বড় রান তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে হয়েছে দেবদত্ত পডিক্কলকে। দ্বিতীয় ইনিংসেও ভারতীয় ব্যাটিং খুব একটা স্বস্তি দেয়নি।ফলে সিরিজের পরবর্তী টেস্টগুলিতে শুভমন-যশস্বীর ফর্ম ভারতীয় দলের জন্য বড় বিষয় হয়ে দাঁড়াতে পারে।বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দৌড়ে গুরুত্বপূর্ণ জয়শ্রীলঙ্কার মাটিতে এই জয় শুধু একটি টেস্ট জয় নয়, ভারতের বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের লড়াইয়েও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। প্রথম টেস্টে ১৬৫ রানের জয় আত্মবিশ্বাস বাড়াবে ভারতীয় শিবিরের।একদিকে মানব সুতারের দুরন্ত অভিষেক, অন্যদিকে জাডেজা-প্রসিদ্ধদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানসব মিলিয়ে গলে ভারত পেল দারুণ শুরু। তবে সিরিজ যত এগোবে, শুভমন গিল ও যশস্বী জয়সওয়ালের ব্যাটে রান ফেরানোই ভারতের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হতে চলেছে।গলের দুর্গে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে ভারত তাই একদিকে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের দৌড়ে এগিয়ে গেল, অন্যদিকে নতুন স্পিন-নায়ক হিসেবে মানব সুতারের উত্থানেরও সাক্ষী থাকল ক্রিকেটবিশ্ব।

আগস্ট ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

তোলপাড় শ্রীলঙ্কা, সরকার বিরোধী টুইট করে কী বললেন জয়সূর্য, জয়বর্ধনেরা?‌

শ্রীলঙ্কায় চলছে অর্থনৈতিক সঙ্কট। বিভিন্ন দেশের কাছে ঋণে জর্জরিত শ্রীলঙ্কা নিজেকে আর্থিক দেউলিয়া ঘোষণা করেছে। সোমবার প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপক্ষের পদত্যাগের দাবিতে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ চলছিল। সেই সময় রাজাপক্ষের সমর্থকরা ও পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলা চালায়। হামলায় কমপক্ষে ২০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। এই হামলার বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন ক্রিকেটাররা। মহিন্দা রাজাপক্ষে সোমবার টুইট করে সাধারণ মানুষকে সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়েছিলেন। টুইটারে তিনি লেখেন, সাধারণ জনগণকে সংযম দেখানোর জন্য অনুরোধ করছি। মনে রাখবেন যে হিংস শুধুমাত্র হিংসারই জন্ম দেয়। আমরা যে অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে আছি তার একটি সমাধান দরকার, যা এই প্রশাসন সমাধান করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। রাজাপক্ষের এই টুইটের জবাবে প্রাক্তন ক্রিকেটার কুমার সাঙ্গাকারা টুইটারে লেখেন, হিংসা শুধুমাত্র আপনার সমর্থকদের দ্বারা সংঘটিত হয়েছিল। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের আক্রমণ করার আগে গুন্ডারা প্রথমে আপনার অফিসে এসেছিল। লেগ স্পিনার ওয়ানিন্দু হাসরাঙ্গা এই মুহূর্তে আইপিএল খেলতে ব্যস্ত। তিনিও এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করে লিখেছেন, কাপুরুষ ও বর্বর! নিরপরাধ ও শান্তিপূর্ণ শ্রীলঙ্কার প্রতিবাদকারীদের উপর আজকের আক্রমণের সারসংক্ষেপ এই দুটি শব্দ। আমাদের দেশে এমন নেতৃত্ব আছে ভেবে আমি হতাশ। এই কারণে ঐক্যবদ্ধ থাকা সকলের সাথে আমার হৃদয় রয়েছে।শুধু কুমার সাঙ্গাকারা কিংবা ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গাই নন, সনথ জয়সূর্য, মাহেলা জয়বর্ধনে, রোশন মহানামার মতো প্রাক্তন ক্রিকেটাররাও প্রতিবাদে মুখর হয়েছেন। সনথ জয়সূর্য টুইট করে বলেছেন, আমি কখনই ভাবিনি যে মন্দিরের মুখে বাইরের গাছের তলায় নিরাপরাধ প্রতিবাদকারীদের এই ধরণের গুণ্ডামি দিনের বেলায় সংঘঠিত হবে। পুলিশকে অবশ্যই মনে রাখতে হবে, তারা দুর্নীতিবাজ রাজনীতিবিদদের নয়, দেশের জনগণকে রক্ষা করার জন্য এখানে এসেছে। এটাই রাজাপক্ষের শেষ সময়। মাহেলা জয়াবর্ধনে বলেছেন, এই গুণ্ডারা আজ সকালে নিরপরাধ শান্তিপূর্ণ সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের আক্রমণ করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে জড় হয়েছিল। এটা কীভাবে হতে পারে? পুলিশ এবং অন্যরা কেবল এটি দাঁড়িয়ে দেখেছে। রোশন মহানামা টুইটারে লিখেছেন, আমাদের দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ ও শক্তিশালী বিক্ষোভের ওপর হামলা দেখে আমি বিরক্ত। এটি সরকারী কর্তৃপক্ষের কাপুরুষতা এবং স্বৈরাচারীতা দেখায় কারণ জনতা প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে জড়ো হয়েছিল।

মে ০৯, ২০২২
বিদেশ

গভীর সঙ্কটে পরশি দ্বীপরাষ্ট্রঃ শ্রীলঙ্কার কেন এই দশা? পরিত্রাণের উপায় খুঁজছে দেশটি

ঋণগ্রস্ত হলে কী বেহাল দশা হয় এখন দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কার পরিস্থিতি দেখে তা সহজেই অনুমান করা যায়। বিশ্ববাজার থেকে ঋণ ক্রমাগত ঋণ নিয়ে তার বোঝা বেড়ে গিয়েছে। একইসঙ্গে চরম খাদ্য সংকটে দেশটি। রয়েছে জ্বালানি সংকটও। মোদ্দা কথা সমস্ত দিক থেকে কোমর ভেঙে গিয়েছে প্রতিবেশি দেশটির। তারওপর দুডজনের বেশি মন্ত্রী এই বোঝা বইতে না পেরে পদত্যাগ করেছেন। নিদারুণ সংকটে জেরবার শ্রীলঙ্কা। কিন্তু কেন দেখা দিল এই জেরবার পরিস্থিতি?সরকার বিরোধী বিক্ষোভে টালমাটাল সারা শ্রীলঙ্কা। ইতিমধ্যে ২৬ জন মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন। অর্থনৈতিক সঙ্কটে বেলাগাম মূল্যবৃদ্ধি। প্রতি কিলোগ্রাম চালের দাম ২২০ টাকা। প্রতিটি জিনিষে হাত দিলেই ছ্যাঁকা লাগছে। ১৯৪৮-তে স্বাধীনতা অর্জনের পর এই প্রথম এমন ভয়াবহ অর্থনৈতিক সঙ্কটের কবলে দেশটি। এর আগে এলটিটিই গেরিলা যুদ্ধে দেশটির নাজেহাল অবস্থা হয়েছিল। এবার সামগ্রিক সঙ্কটের মধ্যে দেশটি। শ্রীলঙ্কা জ্বালানী নেই, বিদ্যুৎ নেই, খাবার নেই, এ এক চরম অরাজকতা। তার মধ্যে বিক্ষোভ দমন করছে সরকার। কয়েকশো বিক্ষোভকারীকে গ্রেফতারও করেছে সরকার। জনরোষ ঠেকাতে কার্ফু জারি করতে হয়েছে। কীভাবে পরিস্থিতি আয়ত্বে আসবে তা খুব কঠিন বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা।বিশ্বে এই দেশের ঋণের পরিমান কত, জানেন?বিশ্বের নানা ক্ষেত্র থেকে ঋণ নিয়ে দায়গ্রস্ত শ্রীলঙ্কা। বিভিন্ন সংস্থার পাশাপাশি নানা দেশ থেকেও ঋণ নিয়েছে দ্বীপরাষ্ট্রটি। দীর্ঘ সেই তালিকা। শ্রীলঙ্কা এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক থেকে নিয়েছে ১৪.৬ শতাংশ, আন্তর্জাতিক সার্বভৌম বন্ড থেকে ঋণের পরিমান ৩৬.৪ শতাংশ। তাছাড়া প্রাথমিক ঋণদাতাদের মধ্যে রয়েছে জাপান, চিন এবং এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাঙ্ক(ADB)। প্রতিবেশি দেশের সঙ্কটে পাশে দাঁড়িয়েছে ভারত সরকার। ১ বিলিয়ন ডলার দেওয়া হয়েছে শ্রীলঙ্কাকে। জ্বালানি, খাদ্য ও ওষুধ কিনতে সাহায্য করার জন্য। পাশাপাশি ডিজেল পাঠাচ্ছে ভারত। একইসঙ্গে ভারতের তরফে ৫০০ মিলিয়ন ডলার ক্রেডিট বাড়ানো হয়েছে। ঋণ শোধ করার জন্য কেউ সময় বাড়িয়েছে, কোনও দেশ আবার চাপও বাড়িয়েছে।কী করে পরিত্রাণ পেতে চাইছে শ্রীলঙ্কা?ঋণের বোঝা কমাতে উদ্যোগী হয়েছে শ্রীলঙ্কা। আপাতত ৪ বিলিয়ন ডলার ঋণ পরিশোধের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে দেশটি। পাশাপাশি শুধু অপরিহার্য পণ্য সামগ্রী বিদেশ থেকে আমদানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দ্বীপরাষ্ট্র। সারা দেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিষপত্র, বিশেষত খাদ্য ও জ্বালানী সঙ্কট তীব্র মাত্রা নিয়েছে। দ্রব্যসামগ্রীর মূল্য আকাশছোঁয়ায় রাস্তায় নেমে সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ চলছে দেশজুড়ে। সরকার মনে করছে, ঋণ শোধ করা এই মুহূর্তে খুব জরুরি। তবে এখন শ্রীলঙ্কা সরকারের ভান্ডারে রয়েছে ২.৩১ বিলিয়ন ডলার। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের প্রভাবও পড়েছে এই দেশে। কারণ বিশ্ববাজারে জ্বালানী তেলের দাম ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। ঋণগ্রস্ত দেশটির তাই আরও নাজেহাল অবস্থা। শেষমেশ দেশে অশান্তি এড়াতে সেনা মোতায়েন করতে বাধ্য হয়েছে সরকার।

এপ্রিল ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ক্রিকেটজীবনের মতোই সততা বজায় রাখলেন ম্যাচ রেফারি জাভাগাল শ্রীনাথ

সৎ, ভদ্র ক্রিকেটার হিসেবে দারুণ জনপ্রিয় ছিলেন ভারতের প্রাক্তন জোরে বোলার জাগাভাল শ্রীনাথ। খেলার সময় কোনও ক্রিকেটারের সঙ্গে অশোভনীয় আচরণ তাঁকে কখনও করতে দেখা যায়নি। সততাই ছিল তাঁর চরিত্রের অন্যতম দিক। খেলা ছাড়ার পর এখন ম্যাচ রেফারির দায়িত্ব পালন করেন। সেখানেও সততা, নিরপেক্ষতা দেখিয়ে চলেছেন শ্রীনাথ। শ্রীনাথের সততার জন্যই ছাড় পেল না তার ক্রিকেটের আঁতুরঘর বেঙ্গালুরুর চিন্নাস্বামী স্টেডিয়াম। ভারতশ্রীলঙ্কা টেস্ট সিরিজে দ্বিতীয় টেস্ট আয়োজনের দায়িত্ব ছিল বেঙ্গালুরুর চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের। গোলাপি বলে দিনরাতে টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়েছিল। টেস্টের প্রথম ঘন্টা থেকেই বল ঘুরতে শুরু করেছিল। চিন্নাস্বামীর উইকেটে ব্যাটসম্যানদের খেলা যথেষ্ট কঠিন ছিল। পরের দিকে উইকেটের কিছুটা উন্নতি হলেও ব্যাট ও বলের লড়াই অসম হয়ে উঠেছিল। চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের বাইশ গজ দেখে সন্তুষ্ট হতে পারেননি ম্যাচ রেফারি জাগাভাল শ্রীনাথ। ম্যাচের পর আইসিসির কাছে কড়া রিপোর্ট দিতে পিছপা হননি তিনি। আইসিসিকে দেওয়া রিপোর্টে চিন্নাস্বামীর উইকেটকে সাধারণের থেকেও খারাপ বলে উল্লেখ করেন শ্রীনাথ। শ্রীনাথের রিপোর্টের ভিত্তিতে চিন্নাস্বামীর উইকেট বিলোঅ্যাভারেজ রেটিং পেয়েছে। আইসিসির কাছে ম্যাচ রেফারি জাগাভাল শ্রীনাথ যে রিপোর্ট পাঠিয়েছেন, তাতে তিনি লিখেছেন, চিন্নাস্বামীর উইকেটে প্রথম দিন থেকেই বল ঘুরেছে। খেলার প্রতিটা সেশনে সেই ঘূর্ণি বেড়েছে। এই উইকেটে ব্যাট ও বলের ভাল লড়াই হওয়া সম্ভব ছিল না। শ্রীনাথের রিপোর্টের ভিত্তিতে চিন্নাস্বামীর পিচকে একটি ডিমেরিট পয়েন্ট দেওয়া হয়েছে। আইসিসির নিয়মে বলা রয়েছে, ম্যাচ রেফারির মতে যে স্টেডিয়ামের পিচ বিলোঅ্যাভারেজ, সেই স্টেডিয়াম একটি ডিমেরিট পয়েন্ট পাবে। যে পিচ খারাপ এবং খেলার একেবারেই অনুপযুক্ত, সেখানে যথাক্রনে তিন ও পাঁচ ডিমেরিট পয়েন্ট দেওয়া হবে। এই ডিমেরিট পয়েন্টের মেয়াদ পাঁচ বছর। যদি কোনও স্টেডিয়ামে এভাবে পাঁচ বা তার বেশি ডিমেরিট পয়েন্ট যোগ হয়, তাহলে সেই স্টেডিয়ামের ওপর এক বছরের জন্য কোনও আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করবে আইসিসি।

মার্চ ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বেঙ্গালুরুতে ২৩৮ রানে জয় ভারতের, টেস্ট সিরিজেও চুনকাম শ্রীলঙ্কা

ঘূর্ণি উইকেটে অধিনায়ক দিমুথ করুণারত্নের দুরন্ত শতরান। তা সত্ত্বেও পরাজয় আটকাতে পারল না শ্রীলঙ্কা। বেঙ্গালুরুতে দ্বিতীয় টেস্টে ভারত জিতল ২৩৮ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসে শ্রীলঙ্কা শেষ হল ২০৮ রানে। টি২০ সিরিজের পর টেস্ট সিরিজেও হোয়াইটওয়াশ শ্রীলঙ্কা। ২০ ব্যবধানে সিরিজ জিতে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের লড়াইয়ে নিজেদের অবস্থান মজুবত করল ভারত।ভারতের ২৫২ রানের জবাবে শ্রীলঙ্কা প্রথম ইনিংসে তুলেছিল ১০৯। ৯ উইকেটে ৩০৩ রান তুলে ভারত দ্বিতীয় ইনিংসের সমাপ্তি ঘোষণা করে। শ্রীলঙ্কার সামনে জয়ের জন্য লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪৪৭। দ্বিতীয় দিনের শেষে শ্রীলঙ্কা তুলেছিল ২৮/১। শ্রীলঙ্কার পরাজয় যে সময়ের অপেক্ষা, দ্বিতীয় দিনেই ছবিটা পরিস্কার হয়ে গিয়েছিল। তৃতীয় দিন ইনিংস কতটা টেনে নিয়ে যেতে পারে, সেটাই ছিল দেখার। এদিন ডিনারের আগেই ইনিংস শেষ শ্রীলঙ্কার। আগের দিনের ১ উইকেটে ২৮ রান হাতে নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করেছিল শ্রীলঙ্কা। কুশল মেন্ডিস ও অধিনায়ক দিমুথ করুণারত্নে দলকে ভালই টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন। দ্বিতীয় উইকেটের জুটিতে দুজনে যোগ করেন ৯৭। কুশল মেন্ডিসকে তুলে নিয়ে ভারতকে ব্রেক থ্রু এনে দেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন।Great atmosphere, good win, thank you to all the fans for your support 🇮🇳🏆 pic.twitter.com/mmyGTFyIYt Virat Kohli (@imVkohli) March 14, 2022মেন্ডিস ফিরতেই ধস শ্রীলঙ্কার ইনিংসে। পরপর আউট হন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ ও ধনঞ্জয় ডিসিলভা। ম্যাথুজকে (১) তুলে নেন অশ্বিন। আর ধনঞ্জয় (৪) অশ্বিনের শিকার। নিরোসান ডিকওয়েলাকে নিয়ে আবার রুখে দাঁড়ান করুণারত্নে। অক্ষর প্যাটেলের বলে ডিকওয়েলা (১২) স্টাম্পড হন। চরিথ আসালঙ্কা করেন ৫। এরপরেই এম্বুলডেনিয়াকে সঙ্গে নিয়ে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন দিমুথ করুণারত্নে। শেষ পর্যন্ত ১৭৪ বলে ১০৭ রান করে যশপ্রীত বুমরার বলে বোল্ড হন শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক। করুণারত্নে ফিরতেই ধস নামে শ্রীলঙ্কার ইনিংসে। পরপর ফিরে যান এম্বুলডেনিয়া (২), সুরঙ্গা লাকমল (১) ও বিশ্ব ফার্নান্দো (২)। ৫৯.৩ ওভারে ২০৮ রানে গুটিয়ে যায় শ্রীলঙ্কার ইনিংস। ভারতের হয়ে রবিচন্দ্রন অশ্বিন ৫৫ রানে ৪টি, যশপ্রীত বুমরা ২৩ রানে ৩টি, অক্ষর প্যাটেল ৩৭ রানে ২টি ও রবীন্দ্র জাদেজা ৪৮ রানে ১টি উইকেট নেন। স্পিনিং উইকেটেই দুর্দান্ত বোলিং করেছেন যশপ্রীত বুমরা। দুই ইনিংস মিলিয়ে ৪৭ রানে তুলে নিয়েছেন ৮ উইকেট। যদিও তিনি ম্যাচের সেরার পুরস্কার পাননি। দুই ইনিংসেই দুরন্ত ব্যাটিংয়ের জন্য ম্যাচের সেরা হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে শ্রেয়স আয়ারককে। সিরিজের সেরা হয়েছেন ঋষভ পন্থ।

মার্চ ১৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আবার ব্যর্থ বিরাট কোহলি, ভারতের জয় শুধু সময়ের অপেক্ষা

শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টেও জয়ের পথে ভারত। ভারতের ২৫২ রানের জবাবে শ্রীলঙ্কার প্রথম ইনিংস শেষ হয় মাত্র ১০৯ রানে। প্রথম ইনিংসে ১৪৩ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ৯ উইকেটে ৩০৩ রান তুলে দ্বিতীয় ইনিংসের সমাপ্তি ঘোষণা করে ভারত। জয়ের জন্য ৪৪৭ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় দিনের শেষে শ্রীলঙ্কা তুলেছে ২৮/১।আগের দিনের ৬ উইকেটে ৮৬ রান হাতে নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে শ্রীলঙ্কা। তাদের ইনিংস যে দীর্ঘস্থায়ী হবে না, প্রথম দিনেই বোঝা গিয়েছিল। দিনের তৃতীয় ওভারে বুমরার বলে ঋষভ পন্থের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন লসিথ এম্বুলডেনিয়া। ৯৫ রানের মাথায় শ্রীলঙ্কার সপ্তম উইকেটের পতন হয়। অষ্টম ও নবম উইকেট পড়ে ১০০ রানে। ৩৪তম ওভারে অশ্বিনের বলে সুরঙ্গা লাকমল (৯) বোল্ড হন। পরের ওভারেই ডিকওয়েলাকে (২১) তুলে নেন যশপ্রীত বুমরা। ৮ রান করে অশ্বিনের বলে স্টাম্পড হন বিশ্ব ফার্নান্দো। মাত্র ৩৫.৫ ওভারে ১০৯ রানে গুটিয়ে যায় শ্রীলঙ্কার প্রথম ইনিংস। যশপ্রীত বুমরা ২৪ রানে ৫ উইকেট নেন। দেশের মাটিতে এক ইনিংসে এই প্রথম ৫ উইকেট পেলেন বুমরা। অশ্বিন ও সামি ২টি করে উইকেট নেন।১৪৩ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ভাল শুরু করেছিল ভারত। ওপেনিং জুটিতে ১০ ওভারে ওঠে ৪২। এরপরই ধাক্কা খায় ভারত। এম্বুলডেনিয়ার বলে আউট হন মায়াঙ্ক আগরওয়াল (২২)। অর্ধশতরানের আগে ফেরেন রোহিত শর্মা (৪৬)। ধনঞ্জয় ডিসিলভার বলে তিনি অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজের হাতে ক্যাচ দেন। ১১৬ রানের মাথায় আউট হন হনুমা বিহারী (৩৫)। জয়বিক্রমাকে সুইপ করতে গিয়ে বোল্ড হন তিনি। বিরাট কোহলি আবার ব্যর্থ। ১৬ বলে মাত্র ১৩ রান করে তিনি জয়বিক্রমার নীচু হয়ে যাওয়া বলে এলবিডব্লু হন।কোহলি ফিরে যাওয়ার পর ভারতের ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন ঋষভ পন্থ ও শ্রেয়স আয়ার। এই জুটিই ভারতকে ৩০০ রানের লিড এনে দেন। ৩১ বলে ৫০ রান করে আউট হন ঋষভ। ৮৭ বলে ৬৭ রান করেন শ্রেয়স। জাদেজা করেন ২২। অশ্বিন ১৩। ৯ উইকেটে ৩০৩ রান তুলে দ্বিতীয় ইনিংসের সমাপ্তি ঘোষণা করে ভারত। শ্রীলঙ্কার হয়ে জয়বিক্রমা ৭৮ রানে ৪টি ও এম্বুলডেনিয়া ৮৭ রানে ৩ উইকেট নেন।জয়ের জন্য ৪৪৭ রানে লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় শ্রীলঙ্কা। প্রথম ওভারের তৃতীয় বলেই লাহিরু থিরিমানেকে (০) তুলে নেন যশপ্রীত বুমরা। দ্বিতীয় দিনের শেষে শ্রীলঙ্কা তুলেছে ১ উইকেটে ২৮। হার বাঁচাতে শ্রীলঙ্কার এখনও চাই ৪১৯। যা অসম্ভব এই শ্রীলঙ্কা দলের পক্ষে।

মার্চ ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

শ্রেয়সের ব্যাটে মান বাঁচল, বেঙ্গালুরু টেস্টে প্রথম দিনেই চালকের আসনে ভারত

দলের ব্যাটিং বিপর্যয় সামাল দিয়েও সেঞ্চুরি পেলেন না শ্রেয়স আয়ার। ৯২ রানে থেমে গেল তাঁর দুরন্ত ইনিংস। তবে তাঁর সৌজন্যেই শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে মান বাঁচাল ভারত। ভারতের প্রথম ইনিংস শেষ হল ২৫২ রানে। বেঙ্গালুরুর চিন্নস্বামী স্টেডিয়ামে নৈশালোকে গোলাপি বলে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ভারতশ্রীলঙ্কা দ্বিতীয় টেস্ট। টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক রোহিত শর্মা। দ্বিতীয় ওভারেই ধাক্কা খায় ভারত। নাটকীয়ভাবে রান আউট হয়ে ফিরে যান মায়াঙ্ক আগরওয়াল। তাঁর বিরুদ্ধে বিশ্ব ফার্নান্দোর বলে এলবিডব্লুর জোরালো আবেদন ওঠে। রান নেওয়ার জন্য তিনি দৌড় শুরু করেন। রোহিত নন স্ট্রাইকিং প্রান্ত থেকে বেরিয়ে এসেও মায়াঙ্ককে ফিরিয়ে দেন। কিন্তু ক্রিজে ফিরতে পারেননি মায়াঙ্ক (৪)। তাঁকে রান আউট হয়ে ফিরতে হয়। রোহিত শর্মাও বেশিক্ষণ ক্রিজে স্থায়ী হননি। ১৫ রান করে তিনি লসিথ এম্বুলডেনিয়ার বলে আউট হন। ২৯ রানে ২ উইকেট হারায় ভারত। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান হনুমা বিহারি ও বিরাট কোহলি। দুজনেই বেশ সতর্কভাবে ব্যাট করছিলেন। কোহলির ব্যাট থেকে কয়েকটি দৃষ্টিনন্দন শটও দেখা যায়। প্রবীন জয়বিক্রমার বলে হনুমা বিহারীকে এলবিডব্লু আউট দিয়েছিলেন আম্পায়ার নীতিন মেনন। রিভিউ নিএ সে যাত্রায় বেঁচে যান হনুমা। তবে নিজের ইনিংসকে দীর্ঘায়িত করতে পারেননি। ২৭ তম ওভারে সেই জয়বিক্রমার বলেই আউট হন হনুমা (৩১)। পরের ওভারেই ধনঞ্জয় ডিসিলভার বলে ফিরে যান কোহলি (২৩)। পরপর দুটি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত। ক্রিজে নেমে পাল্টা আক্রমণের রাস্তা বেছে নেন ঋষভ পন্থ। ২৬ বলে ৭টি চারের সাহায্যে ৩৯ রান করে এম্বুলডেনিয়ার বলে আউট হন তিনি। আগের ম্যাচের নায়ক রবীন্দ্র জাদেজাও (৪) এই ম্যাচে রান পাননি। তিনিও এম্বুলডেনিয়ার শিকার। একের পর এক উইকেট পড়লেও অন্যপ্রান্ত আগলে রাখেন শ্রেয়স আয়ার। অশ্বিন (১৩), অক্ষর প্যাটেলরাও (৫) খুব বেশিক্ষণ শ্রেয়সকে সঙ্গ দিতে পারেননি। অক্ষর আউট হওয়ার পর শ্রেয়স বেশি স্ট্রাইক নেওয়ার দিকে মনোযোগ দিয়েছিলেন। তাও শেষরক্ষা হল না। শেষদিকে সঙ্গী পাবেন না বুঝে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করতে থাকেন। এগিয়ে গিয়ে প্রবীন জয়বিক্রমাকে বাউন্ডারির বাইরে ফেলতে গিয়ে স্টাম্পড হন শ্রেয়স। ৯৮ বলে তিনি করেন ৯২। ২৫২ রানে গুটিয়ে যায় ভারত। এম্বুলডেনিয়া ৯৪ রানে ৩ উইকেট নেন। প্রবীণ জয়বিক্রমা ৮১ রানে নেন ৩ উইকেট। ধনঞ্জয় ডিসিলভা ২টি এবং সুরঙ্গা লাকমল ১টি উইকেট নেন।ব্যাট করতে নেমে শ্রীলঙ্কাও চরম বিপর্যয়ে পড়ে। শুরু থেকেই উইকেট হারাতে থাকে শ্রীলঙ্কা। শ্রীলঙ্কাকে প্রথম ধাক্কা দেন যশপ্রীত বুমরা। তৃতীয় ওভারের প্রথম বলেই তুলে নেন কুশল মেন্ডিসকে (২)। এক ওভার পরেই ফেরান লাহিরু থিরিমানেকে (৪)। ডিমুথ করুণারত্নেকে (৪) তুলে নেন মহম্মদ সামি। ১৪ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় শ্রীলঙ্কা। সেই চাপ থেকে আর বেরিয়ে আসতে পারেনি। মিডল অর্ডারে কিছুটা লড়াই করেন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ। ৮৫ বলে ৪৩ রান করে বুমরার বলে আউট হন। দিনের শেষে শ্রীলঙ্কার সংগ্রহ ৬ উইকেটে ৮৬। নিরোসান ডিকওয়েলা ১৩ রানে ও লসিথ এম্বুলডেনিয়া ০ রানে ক্রিজে রয়েছেন। ভারতের হয়ে যশপ্রীত বুমরা ১৫ রানে ৩টি, মহম্মদ সামি ১৮ রানে ২টি ও অক্ষর প্যাটেল ২১ রানে ১টি উইকেট নিয়েছেন।

মার্চ ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টে গোলাপি বল নিয়েই চিন্তা ভারতীয় শিবিরের

শনিবার বেঙ্গালুরুর চিন্নস্বামী স্টেডিয়ামে নৈশালোকে শুরু হচ্ছে ভারতশ্রীলঙ্কা দ্বিতীয় টেস্ট। গোলাপি বলে খেলা হবে এই ম্যাচ। গোলাপি বলে এখনও সেভাবে সড়গড় হতে পারেননি ভারতীয় ক্রিকেটাররা। তাই শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে যথেষ্ট চিন্তিত ভারতীয় শিবির। ম্যাচের আগের দিন সহঅধিনায়ক যশপ্রীত বুমরার মুখেই শোনা গেল সেই চিন্তার কথা। এখন পর্যন্ত গোলাপি বলে মাত্র তিনটি টেস্ট খেলেছে ভারত। দেশের মাঠে একটা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে, আর একটা আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে। দুটি টেস্টে সহজে জিতলেও অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে গোলাপি বলের টেস্টে সমস্যায় পড়তে হয়েছিল ভারতকে। মাত্র ৩৬ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল বিরাট কোহলির দল। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে বেঙ্গালুরুতে গোলাপি বলের টেস্টে মাঠে নামার আগে মানসিক প্রস্তুতির ওপর জোর দিচ্ছে ভারতীয় দল। ম্যাচের আগে বুমরা বলেন, পেশাদার ক্রিকেটারদের দ্রুত সব কিছুর সঙ্গে মানিয়ে নিতে হবে। গোলাপি বলে ফিল্ডিং করা একটা আলাদা রকমের অভিজ্ঞতা। যতটা সময় নিয়ে বল কাছে আসবে বলে মনে হয়, তার আগেই চলে আসে। দুপুরের দিকে বল বেশি স্যুইং হয় না। তবে বিকেল বা সন্ধ্যার দিকে সুইং বেশি হয়। এই সব খুঁটিনাটি বিষয় মাথায় রেখে, আলোচনা করেই আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। গোলাপি বলে আমরা বেশি টেস্ট খেলিনি। যখন খেলেছি, তখন কঠিন পরিস্থিতিতেও খেলেছি। তাই কোনও মাপকাঠি চূড়ান্ত হয়নি। যেটুকু অভিজ্ঞতা রয়েছে এবং অন্যদের কাছ থেকে ফিডব্যাক পেয়েছি তার ওপর ভিত্তি করে পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, গোলাপি বলের সঙ্গে আমরা ফিল্ডিং, বোলিং, ব্যাটিংয়ে অভ্যস্ত নই। রোজ রোজ তো গোলাপি বলে ক্রিকেট খেলি না। তাই কী ধরনের পরিবর্তন করতে হবে, সেটা মাঠে নেমেই ঠিক করব। প্রথম একাদশ কী হবে, তা খোলসা করেননি বুমরা। ম্যাচের আগে বাইশ গজ দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে তিনি জানান। বুমরা বলেন, পিচের পরিস্থিতি দেখে ঠিক হবে কী কম্বিনেশন হওয়া উচিত। নির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়েই মাঠে নামব। অক্ষর প্যাটেল আগের সিরিজেও দলে ছিল। বল ও ব্যাট দুটোতেই দলে অবদান রাখে। প্রথম একাদশে জায়গা পাবে কিনা সেটা এখনও বলা সম্ভব নয়। তিন সিমার না তিন স্পিনারে নামা হবে তা পিচ দেখেই চূড়ান্ত হবে। এদিকে, বেঙ্গালুরু টেস্টে মাঠে নামার আগে বড় ধাক্কা শ্রীলঙ্কা শিবিরে। দ্বিতীয় টেস্টেও খেলতে পারবেন না দুষ্মন্ত চামিরা। তবে তাঁর থেকেও বড় ধাক্কা ফর্মে থাকা পাথুম নিসাঙ্কার ছিটকে যাওয়া। ভারতের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টি ২০ আন্তর্জাতিকে তিনি ঝোড়ো ৭৫ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। শ্রীলঙ্কার এই ওপেনার মোহালি টেস্টেও অর্ধশতরান পেয়েছিলেন। প্রথম ইনিংসে অপরাজিত ছিলেন ৬১ রানে। কিন্তু পিঠের চোট তাঁকে ছিটকে দিল বেঙ্গালুরু টেস্ট থেকে। ভারত সফরে শ্রীলঙ্কার যে কয়েকজন কিছুটা সফল তাঁদের মধ্যে নিসাঙ্কা অন্যতম। শ্রীলঙ্কার অনভিজ্ঞ টেস্ট দলে নিসঙ্কার ব্যাটিং গড়ও ৪০-এর উপর। সিরিজে সমতা ফেরানোর লড়াইয়ে নামার আগে চোট সমস্যাও চ্যালেঞ্জ শ্রীলঙ্কার।

মার্চ ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌কোহলির শততম টেস্টে নজর কাড়লেন জাদেজা, স্পর্শ করলেন ৬০ বছরের পুরনো রেকর্ড

ভারত-শ্রীলঙ্কা মোহালি টেস্টে সকলের নজর ছিল বিরাট কোহলির দিকে। এটাই ছিল কোহলির শততম টেস্ট। মাইলস্টোনের ম্যাচে প্রাক্তন অধিনায়কের ব্যাটে স্মরনীয় কিছু দেখতে চেয়েছিলেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। শততম টেস্টে মাত্র ১ ইনিংস ব্যাট করার সুযোগ পেয়েছিলেন কোহলি। হাফসেঞ্চুরিও করতে পারেননি। যাবতীয় নজর কেড়ে নিলেন রবীন্দ্র জাদেজা। স্পর্শ করলেন ভারতীয় ক্রিকেটের ৬০ বছরের পুরনো রেকর্ড। তাঁর দাপটেই তিনদিনের কম সময়ে শ্রীলঙ্কাকে ইনিংস ও ২২২ রানে হারিয়ে টেস্ট সিরিজে ১০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ভারত। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে ৮ উইকেটে ৫৭৪ রান তুলে ইনিংস সমাপ্তি ঘোষণা করেছিল ভারত। রবীন্দ্র জাদেজা ১৭৫ রানে অপরাজিত ছিলেন। জবাবে দ্বিতীয় দিনের শেষে শ্রীলঙ্কা তোলে ৪ উইকেটে ১০৮ রান। পাথুম নিসাঙ্কা ২৬ ও চরিথ আসালঙ্কা ১ রানে ক্রিজে ছিলেন। এদিন দলের ১৬১ রানের মাথায় আসালঙ্কাকে (২৯) তুলে নিয়ে শ্রীলঙ্কাকে প্রথম ধাক্কা দেন যশপ্রীত বুমরা। দুওভার পরেই নিরোসান ডিকওয়েলাকে (২) তুলে নেন রবীন্দ্র জাদেজা। একই ওভারে ফেরান সুরঙ্গা লাকমলকে (০)। লাকমল ফেরার পরপরই পরিস্কার হয়ে যায় যে, বেশিদুর এগোতে পারবে না শ্রীলঙ্কা। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির কিছুক্ষণ আগেই ১৭৪ রানে গুটিয়ে যায় শ্রীলঙ্কার ইনিংস। পাথুম নিসাঙ্কা একা লড়াই করে ৬১ রানে অপরাজিত থাকেন। ভারতের হয়ে বুমরা ও অশ্বিন ২টি করে উইকেট নেন। ব্যাট হাতে সাফল্যের পর বল হাতেও দু্র্দান্ত মুন্সিয়ানা দেখিয়ে ৪১ রানে ৫ উইকেট তুলে নেন রবীন্দ্র জাদেজা। ৬০ বছর পরে ভারতীয় ক্রিকেটে অনন্য নজির গড়লেন রবীন্দ্র জাদেজা। প্রথম ইনিংসে ব্যাট হাতে ১৭৫ রান করেন তিনি। বল হাতে শ্রীলঙ্কার প্রথম ইনিংসে ৪১ রানে ৫ উইকেট তুলে নেন। পর পর দুবলে বিশ্ব ফার্নান্ডো ও লাহিরু কুমারাকে আউট করে পাঁচ বছর পরে ফের টেস্টে এক ইনিংসে ৫ উইকেট নিলেন জাদেজা। একই টেস্টে ১৫০র বেশি রান ও ৫ উইকেটের কৃতিত্ব এর আগে রয়েছে দুই ভারতীয়র। ১৯৫২ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভিনু মানকড় এক টেস্টে করেছিলেন ১৮৪ রান ও বল হাতে ১৯৬ রানে নিয়েছিলেন ৫ উইকেট। তার ১০ বছর পরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে পলি উমরিগড় এক টেস্টে ১৭২ রান করেছিলেন ও ১০৭ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন। ভারতীয় হিসেবে রবীন্দ্র জাদেজা এই তালিকায় তৃতীয় ক্রিকেটার যিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করলেন। ভারতীয়রা ছাড়া এই তালিকায় রয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের ডেনিস অ্যাটকিনসন, গ্যারি সোবার্স ও পাকিস্তানের মুস্তাক মহম্মদ। প্রথম ইনিংসে ৪০০ রানে এগিয়ে যাওয়ায় শ্রীলঙ্কাকে ফলোঅন করায় ভারত। দ্বিতীয় ইনিংসেও সেই ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়ে শ্রীলঙ্কা। তৃতীয় ওভারেই হারায় লাহিরু থিরিমানেকে (০)। তাঁকে তুলে নেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। সেই ধাক্কা আর সামলাতে পারেনি শ্রীলঙ্কা। প্রথম ইনিংসে লড়াই করা পাথুম নিসাঙ্কা করনে মাত্র ৬ রান। তিনিও অশ্বিনের শিকার। দ্বিতীয় ইনিংসে ৬০ ওভারে ১৭৮ রানে গুটিয়ে যায় শ্রীলঙ্কার ইনিংস। নিরোসান ডিকওয়েলা ৫১ রানে অপরাজিত থাকেন। অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজ করেন ২৮, ধনঞ্জয় ডিসিলভা ৩০, আসালঙ্কা ২০। ভারতের হয়ে অশ্বিন ৪৭ রানে ৪টি ও জাদেজা ৪৬ রানে ৪টি উইকেট নেন। এদিন কপিলদেবের ৪৩১ টেস্ট উইকেটের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন অশ্বিন।

মার্চ ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌প্রথম টেস্টে চালকের আসনে ভারত, আবার বিতর্কে দ্রাবিড়

মোহালিতে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে দ্বিতীয় দিনেই চালকের আসনে ভারত। এদিন চা বিরতির পর ৮ উইকেটে ৫৭৪ রান তুলে ইনিংস সমাপ্তি ঘোষণা করেন রোহিত শর্মা। দুরন্ত ব্যাটিং রবীন্দ্র জাদেজার। ১৭৫ রানে অপরাজিত রইলেন তিনি। জবাবে দিনের শেষে ৪ উইকেটে ১০৮ রান। ভারতের ইনিংস ডিক্লেয়ার নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিতর্কে আবার নাম জড়িয়েছে হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড়ের। তাঁর জন্যই নাকি দ্বিশতরান হাতছাড়া হয়েছে রবীন্দ্র জাদেজার।এদিন মোহালিতে ফিরে এল ২০০৪ সালে ২৯ মার্চের স্মৃতি। মুলতানে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সেই টেস্টে ভারতের নেতৃত্বে ছিলেন রাহুল দ্রাবিড়। দ্বিতীয় দিন চা বিরতির সময় ভরতের রান ছিল ৫৮৮/৪। শচীন তেন্ডুলকার ১৬৫ রানে অপরাজিত ছিলেন। চা বিরতির পর ৩৫ বলে ২৯ রান করার পরেও শচীনকে দ্বিশতরান করার সুযোগ দেননি অধিনায়ক দ্রাবিড়। যুবরাজ আউট হতেই ইনিংস ডিক্লেয়ার করে দেন। দ্রাবিড়। শচীন তখন ১৯৪ রানে অপরাজিত। দ্রাবিড় এখন ভারতের কোচ। এদিন জাদেজা যেভাবে ব্যাট করছিলেন, সেঞ্চুরি করতে বেশিক্ষণ সময় লাগত না। কিন্তু ভারতীয় থিঙ্কট্যাঙ্ক অপেক্ষা করেনি। ইনিংস ডিক্লেয়ারের সিদ্ধান্ত দ্রাবিড়ের মস্তিষ্কপ্রসূত। শচীন ও জাদেজার দ্বিশতরান থেকে বঞ্চিত হওয়ার নেপথ্যে থেকে গেলেন সেই রাহুল দ্রাবিড়। ১৮ বছর আগে তিনি ছিলেন অধিনায়ক আর এখন কোচ।আগের দিন ২২৮ রানের মাথায় ভারতের পঞ্চম উইকেট পড়েছিল। শ্রেয়স আয়ার ২৭ রানে আউট হওয়ার পর ঋষভ পন্থের সঙ্গে জুটি বাঁধেন রবীন্দ্র জাদেজা। দুজনের জুটিতে ওঠে ১০৪ রান। জাদেজাঅশ্বিন জুটিতে ওঠে ১৩০। ৬১ রান করে আউট হন অশ্বিন। ভারতের অষ্টম উইকেট পড়ে ৪৭১ রানের মাথায়। মাত্র ২ রান করে আউট হন জয়ন্ত যাদব। জাদেজামহম্মদ সামির নবম উইকেট জুটিতে ওঠে ১০৩। জাদেজা সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ১৬০ বলে। ১৫০ রানে পৌঁছান ২১১ বলে। সামি ৩৪ বল খেলে ২০ রানে অপরাজিত থাকেন। রবীন্দ্র জাদেজা অপরাজিত থাকেন ১৭৫ রানে। খেলেন ২২৮ বল। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ১৭টি চার ও ৩টি ছয়।চা বিরতির পর ইনিংস শুরু করে শ্রীলঙ্কা। ৪৮ রানে প্রথম উইকেট হারায়। লাহিরু থিরিমানেকে তুলে নেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। থিরিমানে ৬০ বলে ১৭ রান করেন। করুণারত্নে ৭১ বলে ২৮ রান করে রবীন্দ্র জাদেজার শিকার। ৩৯ বলে ২২ রান করে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউজ যসপ্রীত বুমরার বলে লেগ বিফোর হন।অশ্বিন ১৩ ওভারে ২১ রানে ২ উইকেট নিয়েছেন। রবীন্দ্র জাদেজা ৩০ রানে নিয়েছেন ১ উইকেট। যশপ্রীত বুমরা ২০ রান দিয়ে ১টি উইকেট দখল করেছেন।

মার্চ ০৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌শততম টেস্টে বড় রান করতে ব্যর্থ কোহলি, পন্থের দাপটে ভারত ভাল জায়গায়

টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে রোহিত শর্মার প্রথম টেস্ট। মাইলস্টোনের ম্যাচ বিরাট কোহলিরও। মোহালিতে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে জীবনের শততম টেস্ট খেলতে নেমেছিলেন কোহলি। মাইলস্টোনের ম্যাচে অনেকেই কোহলির কাছ থেকে সেঞ্চুরি প্রত্যাশা করেছিলেন। তাঁর ভক্তদের হতাশ করলেন কোহলি। শততম টেস্টে বড় রান করতে ব্যর্থ। অধিনায়ক রোহিত শর্মাও নিজেকে মেলে ধরতে পারলেন না। তা সত্ত্বেও প্রথম দিনের শেষে বড় রান ভারতের। ৬ উইকেটে তুলল ৩৫৭। সৌজন্যে ঋষভ পন্থ। যদিএ ধৈর্য হারিয়ে মাত্র ৪ রানের জন্য সেঞ্চুরি পেলেন না ভারতীয় দলের এই উইকেটকিপার ব্যাটার। মোহালিতে আইএস বিন্দ্রা স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ভারত। ভাল শুরু করেছিলেন দুই ওপেনার মায়াঙ্ক আগরওয়াল ও রোহিত শর্মা। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৫২। এরপরই লাহিরু কুমারার বলে আউট হন রোহিত (২৯)। লোকেশ রাহুলের পরিবর্তে ওপেন করতে নামা মায়াঙ্ক আগরওয়াল ৩৩ রান করে এমবুলদেনিয়ার বলে লেগ বিফোর আউট হন। ৮০ রানের মধ্যে সাজঘরে ফেরেন ভারতের দুই ওপেনার।চেতেশ্বর পুজারার বিকল্প হিসেবে হনুমা বিহারিকে তিন নম্বরে সুযোগ দিয়েছে টিম ম্যানেজমেন্ট। সুযোগের সদব্যবহার করলেন হনুমা। কোহলির সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে টেনে নিয়ে যান। জুটিতে ওঠে ৯০। শততম টেস্টে কোহলির দিকে তাকিয়েছিলেন সকলেই। অনেকেই ভেবেছিলেন, দীর্ঘদিন বড় রান না পাওয়া কোহলি ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে জ্বলে উঠবেন। ভাল শুরু করেও শেষরক্ষা করতে পারেননি। এমবুলদেনিয়ার স্পিনে পরাস্ত হয়ে বোল্ড হন কোহলি। ৭৬ বলে তিনি করেন ৪৫। এদিন টেস্ট ক্রিকেটে ৮০০০ রান পূর্ণ করেন তিনি। কোহলি যখন আউট হন ভারতের রান ১৭০। কোহলি আউট হওয়ার পরপরই ফেরেন হনুমা বিহারি। তিনি করেন ৫৮। শ্রেয়স আয়ারও (২৭) বড় রান পাননি।Listen in to what Virat Kohli has to say on his playing his landmark Test today. @Paytm #INDvSL | @imVkohli pic.twitter.com/MAtUcgJcVo BCCI (@BCCI) March 4, 2022৫ নম্বরে ক্রিজে নেমে স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গীতে ব্যাট করতে থাকেন ঋষভ পন্থ। ৭৩ বলে হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। এরপর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন। লসিথ এমবুলদেনিয়ার ১ ওভারে নেন ২২। ম্যাচের দ্বিতীয় নতুন বলে সুরঙ্গা লাকমলের ওভারে বোল্ড হন ঋষভ। ৯টি ৪ ও ৪টি ৬য়ের সাহায্যে ৯৭ বলে ৯৬ রান করে ঋষভ। রবীন্দ্র জাদেজার সঙ্গে জুটিতে তোলেন ১০৪। এই নিয়ে ৫ বার নব্বইয়ের ঘরে আউট হলেন ঋষভ। দিনের শেষে ভারত ৮৫ ওভারে তোলে ৩৫৭/৬। রবীন্দ্র জাদেজা ৪৫ ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন ১০ রানে ক্রিজে রয়েছেন।

মার্চ ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে অভিষেকের আগে কেন চাপে নেই রোহিত?‌

সাদা বলের ক্রিকেটে দুরন্ত ছন্দে রয়েছে ভারত। টি২০ ক্রিকেটে টানা তিনটি সিরিজ জিতেছে রোহিত শর্মার দল। গত বছরের শেষে ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজ দিয়ে শুরু। কিউয়িদের হোয়াইট ওয়াশ করার পর ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধেও ৩০ ব্যবধানে জয়। মাঝে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধেও একদিনের সিরিজ জিতেছে ভারত। তবে ছন্দপতন লালবলের ক্রিকেটে। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে সিরিজ হারতে হয়েছে ভারতকে। ঘরের মাঠে সামনে এবার শ্রীলঙ্কা। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া রোহিত শর্মার দল।দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে টেস্ট সিরিজে হেরে আইসিসির বিশ্ব টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছে ভারত। পয়েন্টের পার্সেন্টেজের বিচারে রয়েছে পঞ্চম স্থানে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ২০ ব্যবধানে না জিতলে আরও পিছিয়ে পড়তে হবে। ফাইনালে ওঠার জন্য ভারতের সামনে রয়েছে ৯টি টেস্ট। এই ৯টি টেস্টেই জেতার চ্যালেঞ্জ নিচ্ছেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক রোহিত শর্মা। অন্যদিকে, টি২০ সিরিজে বিধ্বস্ত হওয়ার পর টেস্ট সিরিজে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া। গতবছর ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুই টেস্টের সিরিজ ১০ ব্যবধানে জিতেছিল ভারত। তারপর ডিসেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যান বিরাট কোহলিরা। প্রথম টেস্ট জিতে ইতিহাস তৈরির সম্ভাবনা তৈরি করেছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর সিরিজ জেতা হয়নি। বাকি দুটি টেস্টে জিতে সিরিজ জেতে প্রোটিয়ারা। টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে অভিষেক হতে চলেছে রোহিতের। তাঁর লক্ষ্য অধিনায়ক হিসেবে প্রথম টেস্টে ছাপ রাখতে। তবে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে শুধু দুটি টেস্টই নয়, লক্ষ্য সব টেস্ট জেতা। অধিনায়ক হিসেবে প্রথম টেস্টে খেলতে নামার আগে চাপে নেই হিটম্যান রোহিত। দলের ওপর ভরসা করছেন। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে জয় ছাড়া কিছু ভাবছেন না ভারতীয় দলের অধিনায়ক। তিনি বলেন, দল হিসেবে আমরা খুব ভাল জায়গায় আছি। এরজন্য বিরাটকে কৃতিত্ব দিতে হবে। ক্যাপ্টেন হিসেবে দলটা তৈরি করেছে। ওর সাফল্যকে ধরে রেখে আমাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে আমি শুধু জয়ের কথা ভাবছি।দীর্ঘদিন পর চেতেশ্বর পুজারা ও অজিঙ্কা রাহানেকে ছাড়াই খেলতে নামবে ভারত। এই দুই ব্যাটারের জায়গা সহজে ভরাট হবে না বলে মনে করছেন রোহিত। তাঁর কথায়, পুজারা, রাহানের পরিবর্ত যারাই দলে আসুক তাদের কাজটা সহজ হবে না। দলের জন্য রাহানে ও পুজারার অবদান কখনও ভোলার নয়। দলকে প্রচুর ম্যাচে জিতিয়েছে। ভারতকে ১ নম্বর টেস্ট দল করার পেছনে ওদের বড় অবদান রয়েছে। চেতেশ্বর পুজরার জায়গায় তিন নম্বরে শ্রেয়স আয়ারের খেলার সম্ভাবনা বেশি। অন্যদিকে রাহানের জায়গায় হনুমা বিহারি কিংবা শুভমান গিলের মধ্যে একজন। এছাড়া দীর্ঘদিন পর আবার টেস্ট ম্যাচে মাঠে নামতে চলেছেন রবীন্দ্র জাদেজা।

মার্চ ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌কোহলির ওপর চাপ বাড়ালেন শ্রেয়স, শ্রীলঙ্কাকে হোয়াইট ওয়াশ ভারতের

বিরাট কোহলির ওপর কি চাপ বাড়িয়ে দিলেন নাইট রাইডার্সের নতুন অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার? টি২০ ক্রিকেট থেকে দিন দশেকের বিশ্রাম নিয়েছেন বিরাট কোহলি। তাঁর জায়গায় সুযোগ পেয়েই জ্বলে উঠলেন শ্রেয়স আয়ার। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে তিনটি ম্যাচেই অর্ধশতরান। তাঁর দাপটেই সিরিজের তৃতীয় টি২০ ম্যাচেও জিতল ভারত। ৬ উইকেটে হারাল শ্রীলঙ্কাকে। নিউজিল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজের পর শ্রীলঙ্কাকেও টি২০ সিরিজে হোয়াইট ওয়াশ ভারতের। একই সঙ্গে টানা ১২টি টি২০ ম্যাচ জিতে আফগানিস্তান ও রোমানিয়ার বিশ্বরেকর্ড স্পর্শ করল ভারত। টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক দাসুন শনকা। আবেশ খান ও মহম্মদ সিরাজের দাপটে শুরুতেই বেসামাল হয়ে পড়ে শ্রীলঙ্কার টপ অর্ডার। প্রথম ওভারেই মহম্মদ সিরাজ তুলে নেন দানুষ্কা গুণতিলকাকে (০)। পরের ওভারেই দ্বিতীয় উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। ১০ বলে ১ রান করে আবেশ খানের বলে ভেঙ্কটেশ আয়ারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন পাথুম নিসাঙ্কা। চতুর্থ ওভারে তৃতীয় উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কায চরিথ আসালঙ্কাকে (৪) তুলে নিয়ে শ্রীলঙ্কাকে বেকায়দায় ফেলে দেন আবেশ খান। ২৯ রানে শ্রীলঙ্কার চতুর্থ উইকেটের পতন। নবম ওভারে জানিথ লিয়ানাগেকে (৯) তুলে নেন রবি বিষ্ণোই। ১২.১ ওভারে দীনেশ চান্দিমল (২৭ বলে ২২) আউট হলে শ্রীলঙ্কার স্কোর দাঁড়ায় ৫ উইকেটে ৬০। এরপর শ্রীলঙ্কাকে টেনে নিয়ে যান অধিনায়ক দাসুন শনাকা। ২৯ বলে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ৩৮ বলে ৭৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। মারেন ৯টি চার ও ২টি ছয়। করুণারত্নে ১৯ বলে ১২ রান করে অপরাজিত থাকেন। ২০ ওভারে শ্রীলঙ্কা তোলে ১৪৬/৫। ভারতের যা ব্যাটিং শক্তি, এই রান তুলতে সমস্যা হওয়ার কথা ছিল না। শুরুতে রোহিত শর্মা ফিরে গেলেও সমস্যায় পড়তে হয়নি। ৯ বলে মাত্র ৫ রান করে দুষ্মন্ত চামিরার বলে আউট হন রোহিত। এই নিয়ে ৬ বার চামিরার শিকার হলেন ভারতীয় অধিনায়ক। ঈশান কিশান চোটের জন্য ছিটকে যাওয়ায় রোহিতের সঙ্গে এদিন ওপেন করতে নেমেছিলেন সঞ্জু স্যামসন। সঞ্জুও (১২ বলে ১৮) বড় রান করতে পারেননি। দীপক হুডা ১৬ বলে ২১ রান করে আউট হন। ভেঙ্কটেশ আয়ারও (৫) ব্যর্থ। এরপর ভারতকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন শ্রেয়স আয়ার ও রবীন্দ্র জাদেজা। ৪৫ বলে ৭৩ রান করে অপরাজিত থাকেন। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে চলতি সিরিজে তিনি ২০৪ রান করলেন। তিন ম্যাচের টি২০ আন্তর্জাতিক সিরিজে বিরাট কোহলির সবচেয়ে বেশি রানের রেকর্ড এদিন ভেঙে দিলেন শ্রেয়স। তিনটি চারের সাহায্যে ১৫ বলে ২২ রানে অপরাজিত থাকেন রবীন্দ্র জাদেজা। ১৬.৫ ওভারে ১৪৮/৪ তুলে ম্যাচ জিতে যায় ভারত।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

শ্রেয়স–জাদেজা ঝড়ে উড়ে গেল শ্রীলঙ্কা, টানা সপ্তম সিরিজ জয় ভারতের

নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে টি২০ সিরিজ জয়। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইট ওয়াশ করার পর শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধেও কি ৩০ ব্যবধানে সিরিজ জিততে পারবে ভারত? শ্রেয়স আয়ার ও রবীন্দ্র জাদেজার দুরন্ত ব্যাটিং ভারতকে দ্বিতীয় টি২০ ম্যাচে ৭ উইকেটে জয় এনে দিল। ২০ ব্যবধানে সিরিজে এগিয়ে গেল ভারত। এই নিয়ে দেশের মাঠে টানা সপ্তমবার টি২০ সিরিজ জিতল।ধরমশালায় টস জিতে শ্রীলঙ্কাকে ব্যাট করতে পাঠান রোহিত শর্মা। শ্রীলঙ্কা প্রথম ১০ ওভারে নিজেদের একেবারেই মেলে ধরতে পারেনি। রান তোলার গতি ছিল খুবই শ্লথ। শেষ ৩ ওভারে পাথুম নিসাঙ্কা ও দাসুন শানাকার ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ভারতকে চ্যালেঞ্জ ছুঁ্ড়ে দেয় শ্রীলঙ্কা। নির্ধারিত ২০ ওভারে শ্রীলঙ্কা তোলে ৫ উইকেটে ১৮৩ রান। ২টি চার ও ৫টি ছয়ের সাহায্যে ১৯ বলে ৪৭ রানে অপরাজিত থাকেন শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক দাসুন শানাকা। শেষ ৪ ওভারে শ্রীলঙ্কা তোলে ৭২ রান। পাথুম নিসাঙ্কা ও দাসুন শনাকার পঞ্চম উইকেট জুটিতে ২২ বলে ওঠে ৫০। নিসঙ্কা অর্ধশতরান পূর্ণ করেন ৪৩ বলে। ভুবনেশ্বর কুমারের বলে এলবিডব্লু আউট হওয়ার আগে ৫৩ বলে করেন ৭৫ রান। নিসঙ্কা ১৯ তম ওভারের শেষ বলে আউট হলেও শ্রীলঙ্কাকে বড় রানে পৌঁছে দেন অধিনায়ক শানাকা। ১৯ বলে ৪৭ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ২০ ওভারে শ্রীলঙ্কা তোলে ১৮৩/৫। ভুবনেশ্বর কুমার ৩৬ রানে ১টি, যশপ্রীত বুমরা ২৪ রানে ১টি, যুজবেন্দ্র চাহাল ২৭ রানে ১টি ও রবীন্দ্র জাদেজা ৩৭ রানে ১টি উইকেট দখল করেন।রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই রোহিতের (১) উইকেট হারায় ভারত। প্রথম ওভারের শেষ বলে তুলে নেন দুষ্মন্ত চামিরা। ষষ্ঠ ওভারের প্রথম বলে ১৬ রান করে ঈশান কিষাণ আউট হন। ভারতের রান তখন ৪৪। এরপরই শ্রেয়স আয়ার ও সঞ্জু স্যামসনের জুটি ভারতকে জয়ের দিকে এগিয়ে দেয়। ঝোড়ো ব্যাটিং করে তাঁরা জুটিতে তোলেন ৮৪ রান। ২৫ বলে ৩৯ রান করে আউট হন সঞ্জু স্যামসন। এরপর শ্রেয়সের সঙ্গে জুটি বেঁধে দুরন্ত ব্যাটিং করে ভারতকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন রবীন্দ্র জাদেজা। ১৭ বলে বাকি থাকতেই ৩ উইকেট হারিয়ে ১৮৬ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় ভারত। শ্রেয়স ৪৪ বলে ৭৪ ও জাদেজা ১৮ বলে ৪৫ রান করে অপরাজিত থাকেন।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : শ্রীলঙ্কার কাছে হেরে লজ্জার বিদায় গতবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের

গ্রুপ ১ থেকে প্রথম দল হিসেবে আগেই সেমিফাইনালে পৌঁছে গেছে ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় জায়গার জন্য লড়াই অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে। দুই দলেরই ৪ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট। নেট রান রেটে অস্ট্রেলিয়া এগিয়ে রয়েছে প্রোটিয়াদের থেকে। গ্রুপ লিগে সব ম্যাচ হেরে ছিটকে গেছে বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও শ্রীলঙ্কার আশাও শেষ। বৃহস্পতিবার সম্মান রক্ষার লড়াই ছিল গতবারের চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজের। সম্মান রক্ষার লড়াইয়েও ব্যর্থ ক্যারিবিয়ানরা। শ্রীলঙ্কার কাছে ২০ রানে হারতে হল কায়রন পোলার্ডদের।আবু ধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে টস জিতে শ্রীলঙ্কাকে ব্যাট করতে পাঠান ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক কায়রন পোলার্ড। লক্ষ্য ছিল শুরুতেই উইকেট তুলে নিয়ে শ্রীলঙ্কাকে চাপে ফেলা। কিন্তু ক্যারিবিয়ান অধিনায়কের সিদ্ধান্ত বুমেরাং হয়ে যায় পাথুম নিসাঙ্কা ও কুশল পেরেরার দাপটে। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৪২। ২১ বলে ২৯ রান করে আন্দ্রে রাসেলের বলে তাঁরই হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান কুশল পেরেরা। ক্যারিবিয়ানরা আশায় ছিল ম্যাচে ফেরার। কিন্তু তাদের ম্যাচে ফেরার স্বপ্ন ব্যর্থ করে দেন পাথুম নিসাঙ্কা ও চরিথ আসালঙ্কা। জুটিতে ৯১ রান তুলে ক্যারিবিয়ানদের ব্যাকফুটে ঠেলে দেন। ১৫.৩ ওভারের মাথায় ডোয়েন ব্র্যাভোর বলে আউট হন নিসাঙ্কা। ৪১ বলে তিনি করেন ৫১। শ্রীলঙ্কার রান তখন ১৩৩।নিসাঙ্কা আউট হওয়ার পর দলকে টেনে নিয়ে যান আসালঙ্কা। ৪১ বলে ৬৮ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে তিনি রাসেলের বলে হেটমায়েরের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। অধিনায়ক দাসুন শনাকা ১৪ বলে ২৫ রানের কার্যকরী ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৩ উইকেটে ১৮৯ রান তোলে শ্রীলঙ্কা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে আন্দ্রে রাসেল ৩৩ রানে ২ উইকেট নেন।দলে তাবড় তাবড় টি২০ বিশেষজ্ঞ ব্যাটার রয়েছে। তা সত্ত্বেও জয়ের জন্য ১৯০ রানের লক্ষ্য একেবারেই সহজ ছিল না ক্যারিবিয়ানদের কাছে। কারণ চলতি বিশ্বকাপে একেবারেই ফর্মে নেই ক্রিস গেল, আন্দ্রে রাসেল, কায়রন পোলার্ডরা। তার ওপর দ্বিতীয় ওভারের দ্বিতীয় বলেই ক্রিস গেল আউট। বিনুরা ফার্নান্ডোর বলে তিনি ১ রান করে সাজঘরে ফিরে যান। একই ওভারের শেষ বলে বিনুরা তুলে নেন এভিন লুইসকে (৮)। ২ ওভারের মধ্যে ১০ রানে ২ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে ক্যারিবিয়ানরা। রস্টন চেজও (৯) দ্রুত ফেরেন। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান নিকোলাস পুরান ও শিমরন হেটমায়ের। ৩৪ বলে ৪৬ রান করে আউট হন পুরান। ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান তখন ১১ ওভারে ৭৭। আন্দ্রে রাসেল (২), কায়রন পোলার্ডর (০), জেসন হোল্ডাররা (৮) ব্যর্থ। চূড়ান্ত ব্যাটিং বিপর্যয়ের মধ্যে একমাত্র লড়াই করেন শিমরন হেটমায়ের। ৫৪ বলে ৮১ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে তিনি অপরাজিত থাকেন। শেষ পর্যন্ত ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২০ ওভারে তোলে ১৬৯/৮ । শ্রীলঙ্কার হয়ে বিনুরা ফার্নান্দো, চামিকা করুনারত্নে ও ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ২ টি করে উইকেট পান।

নভেম্বর ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T‌20 World cup : বাটলারের দুরন্ত সেঞ্চুরিতে প্রথম দল সেমিফাইনাল নিশ্চিত করল ইংল্যান্ড

প্রথম তিন ম্যাচ জিতে সেমিফাইনালের পথে অনেকটাই পা বাড়িয়েছিল ইংল্যান্ড। লক্ষ্য ছিল সুপার ১২র গ্রুপ লিগে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করা। সেই লক্ষ্যে সফল ইংল্যান্ড। শ্রীলঙ্কাকে ২৬ রানে হারিয়ে প্রথম দল হিসেবে এবছর টি২০ বিশ্বকাপে শেষ চারের ছাড়পত্র জোগাড় করে ফেলল। ইংল্যান্ডের জয়ের নায়ক জস বাটলার। তাঁর দুরন্ত সেঞ্চুরির সুবাদেই জয় তুলে নিতে সক্ষম হয়েছে ইংল্যান্ড। চলতি টি২০ বিশ্বকাপে প্রথম সেঞ্চুরি এল বাটলারের ব্যাট থেকে। শেষ বলে ছয় মেরে ৯৫ থেকে ১০১ রানে পৌঁছে অপরাজিত থাকেন তিনি। সেই সঙ্গে ৪ ম্যাচে ২১৪ রান করে তিনিই আপাতত চলতি বিশ্বকাপে সর্বাধিক রান সংগ্রাহক।টি২০ ক্রিকেটে টস জিতলেই পরে ব্যাট করা প্রায় নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। আসলে পরে ব্যাট করলে দুই ধরণের সুবিধা পাওয়া যায়। এক, টার্গেট দেখে ব্যাট করা। দুই, রাতের দিকে শিশির পড়লে বোলারদের বল গ্রিপ করতে অসুবিধা হয়। তাছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরশাহির উইকেটে পরের দিকে ব্যাটে ভাল বল আসছে। সেকথা মাথায় রেখে ইংল্যান্ডকে ব্যাট করতে পাঠান শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক দাসুন শনাকা। অধিনায়কের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে শুরু থেকেই ইংল্যান্ডকে চাপে ফেলে দেন শ্রীলঙ্কার দুই বোলার চামিরা ও হাসারাঙ্গা। এই দুই বোলারের দাপটে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে ইংল্যান্ড। ৬ ওভারের মধ্যে ৩৬ রানে ৩ উইকেট হারায়। হাসারাঙ্গা তুলে নেন জেসন রয় (৬ বলে ৯) এবং জনি বেয়ারস্টোকে (১ বলে ০)। অন্যদিকে দাওইদ মালানকে (৮ বলে ৬) ফেরান চামিরা।এরপরই ইংল্যান্ডকে টেনে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন জস বাটলার ও অধিনায়ক ইওয়িন মর্গ্যান। জুটি ওঠে ১১২ রান। ৩৬ বলে ৪০ রান করে হাসারাঙ্গার বলে আউট হন মর্গ্যান। একসময় ইংল্যান্ডের রান ছিল ১০ ওভারে ৪৭। বাটলার ও মর্গ্যানের দাপটে শেষ ১০ ওভারে ইংল্যান্ড তোলে ১১৬। বাটলার প্রথম ৫০ করেন ৪৫ বলে। শেষ ৫০ করতে নেন মাত্র ২২ বল। ইনিংসের শেষ বলে ৬ মেরে তিনি সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। শেষ পর্যন্ত ৬৭ বলে ১০১ রান করে অপরাজিত থাকেন বাটলার। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৬টি করে ৪ ও ৬। নির্ধারিত ২০ ওভারে ইংল্যান্ড তোলে ১৬৩/৪। শ্রীলঙ্কার হয়ে হাসারাঙ্গা ২১ রানে ৪ উইকেট নেন।ব্যাট করতে নেমে শ্রীলঙ্কার শুরুটাও ভাল হয়নি। তৃতীয় বলেই ফিরে যান দারুণ ছন্দে থাকা পাথুম নিসাঙ্কা (১)। ঝড় তোলার মুখে চরিথ আসালঙ্কাকে (১৬ বলে ২১) তুলে নেন আদিল রশিদ। এক ওভার পরেই ফেরান কুশল পেরেরাকে (৯ বলে ৭)। ইংল্যান্ডের মতোই ৬ ওভারের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ের মধ্যে শ্রীলঙ্কা। শ্রীলঙ্কা দলে জস বাটলারের মতো কোনও ব্যাটার নেই, যিনি দলকে উদ্ধার করতে পারতেন। আভিষ্কা ফার্নান্ডোকে (১৪ বলে ১৩) তুলে নিয়ে শ্রীলঙ্কাকে আরও চাপের মধ্যে ফেলে দেন ক্রিস জর্ডন। ভানুকা রাজাপক্ষে (১৮ বলে ২৬) কিছুটা লড়াই করেন। তাঁকে ফেরান ক্রিস ওকস। অধিনায়ক দাসুন শনাকা (২৫ বলে ২৬) ও ওয়ানিন্দু হাসারঙ্গার (২১ বলে ৩৪) লড়াই চাপে ফেলে দিয়েছিল ইংল্যান্ডকে। শেষ পর্যন্ত ১৯ ওভারে ১৩৭ রানে গুটিয়ে যায় শ্রীলঙ্কা।

নভেম্বর ০১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : বর্ণবৈষম্যের প্রতিবাদে সামিল কুইন্টন ডিকক, জিতল দক্ষিণ আফ্রিকা

বিতর্ক পেছনে ফেলে আবার মাঠে ফিরলেন কুইন্টন ডিকক। দলের নির্দেশ মেনে বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে হাঁটু গেড়ে বসে প্রতিবাদে সামিলও হলেন। তবে ব্যাট হাতে জ্বলে উঠতে পারলেন। কুইন্টন ডিকক রান না পেলেও জয় আটকায়নি দক্ষিণ আফ্রিকার। টানটান উত্তেজনার ম্যাচে ১ বল বাকি থাকতে শ্রীলঙ্কাকে ৪ উইকেটে হারিয়ে সেমিফাইনালের আশা জিইয়ে রাখল প্রোটিয়ারা। কাজে লাগল না ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার দুরন্ত হ্যাটট্রিক। দক্ষিণ আফ্রিকার জয়ের নায়ক ডেভিড মিলার। শেষ ওভারে দুটি ছক্কা মেরে দলকে জেতান তিনি।টস জিতে শ্রীলঙ্কাকে ব্যাট করতে পাঠান দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা। ২০ ওভারে ১৪২ রান তুলতে সমর্থ হয় শ্রীলঙ্কা। শ্রীলঙ্কার হয়ে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন পাথুম নিসাঙ্কা। ৬টি চার ও ৩টি ছয়ের সাহায্যে তিনি ৫৮ বলে ৭২ রান করেন । চরিথ আসালঙ্কা ২১ ও অধিনায়ক দাসুন শনকা ১১ রান করেন। শ্রীলঙ্কার বাকি কোনো ব্যাটার দুই অঙ্কের রানে পৌঁছতে পারেননি। দক্ষিণ আফ্রিকার তাবরেজ শামসি ৪ ওভারে ১৭ রানের বিনিময়ে ৩ উইকেট দখল করেন। ডোয়েইন প্রিটোরিয়াস ৩ ওভারে ১৭ রানের বিনিময়ে ৩টি উইকেট নেন। এনরিখ নরকিয়া ৪ ওভারে ২৭ রান দিয়ে ২টি উইকেট পেয়েছেন।জয়ের জন্য ১৪৩ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শ্রীলঙ্কার বোলারদের দাপটে শুরু থেকেই অস্বস্তিতে ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। পাওয়ার প্লেতে ওঠে মাত্র ৪০ রান। তার মধ্যে হারাতে হয় ২ উইকেট। ১০ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার স্কোর ছিল ৩ উইকেটে ৬২। কুইন্টন ডিকক ১০ বলে ১২ রান করে আউট হন। রেজা হেনড্রিকস ১১ রান করে আউট হন। দুজনেই চামিরার শিকার। ১৬ রান করে রান আউট হন ফান ডার ডুসেন। তেম্বা বাভুমা অধিনায়কোচিত ইনিংস খেলেন। ৪৬ বলে তিনি করেন ৪৬। এইডেন মার্করাম করেন ১৯। ১৫তম ওভারের শেষ বলে মার্করামকে ১৯ রানে বোল্ড করেন হাসারঙ্গা। ১৮তম ওভারে নিজের চতুর্থ ওভারটি করতে এসে প্রথম দুই বলেই বাভুমা ও ডোয়েইন প্রিটোরিয়াসকে আউট করে হ্যাটট্রিক করেন তিনি। এরপর প্রোটিয়াদের জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন ডেভিড মিলার ও কাগিসো রাবাডা। শেষ দুই ওভারে প্রোটিয়াদের দরকার ছিল ২৫ রান। শেষ ওভারে ১৫। লাহিরু কুমারার দ্বিতীয় ও তৃতীয় বলে ছক্কা হাঁকিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকাকে জয়ের কাছে পৌঁছে দেন ডেভিড মিলার। পঞ্চম বলে চার মেরে জয় নিশ্চিত করেন কাগিসো রাবাডা। ১৩ বলে ২৩ করে অপরাজিত থাকেন মিলার। ৭ বলে ১৩ রানে অপরাজিত থাকেন রাবাডা।

অক্টোবর ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T‌20 World Cup : অবশেষে রানে ফিরলেন ওয়ার্নার, স্বস্তি অস্ট্রেলিয়া শিবিরে

আইপিএলে চূড়ান্ত ব্যর্থ। নেতৃত্ব হারাতে হয়েছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদের। এমনকী সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বে প্রথম একাদশ থেকেও বাদ পড়তে হয়েছিল ডেভিড ওয়ার্নারকে। টি২০ বিশ্বকাপের প্রথম দুটি ম্যাচেও রান পাননি। তাঁকে প্রথম একাদশ থেকে সরিয়ে দেওয়ার দাবিও উঠেছিল। ভরসা হারায়নি টিম ম্যানেজমেন্ট। টিম ম্যানেজমেন্টের আস্থার মর্যাদা দিলেন ডেভিড ওয়ার্নার। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সুপার ১২র গ্রুপ লিগের তৃতীয় ম্যাচেই রানে ফিরলেন। স্বস্তি অস্ট্রেলিয়া শিবিরে। তাঁর দুরন্ত ব্যাটিংয়ের ওপর ভর করে শ্রীলঙ্কাকে ৭ উইকেটে হারাল অস্ট্রেলিয়া। একই সঙ্গে সেমিফাইনালে ওঠার পথও প্রশস্ত করল।টস জিতে শ্রীলঙ্কাকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ। তৃতীয় ওভারে পাথুম নিসাঙ্কা (৭) ফিরে গেলেও দলকে এগিয়ে নিয়ে যান কুশল পেরেরা (২৫ বলে ৩৫) ও আসালাঙ্কা (২৭ বলে ৩৫)। পরপর দুওভারে এই দুই ব্যাটসম্যান ফিরে গেলে রান তোলার গতি কমে যায় শ্রীলঙ্কার। দারুণ বোলিং করেন অ্যাডাম জাম্পা। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভার ৬ উইকেটে ১৫৪ তোলে শ্রীলঙ্কা। ২৬ বলে ৩৩ রানে অপরাজিত থাকেন ভানুকা রাজাপক্ষ। অধিনায়ক দাসুন শনাকা ১২, পাথুম নিসঙ্কা ৭, ওয়ানিন্দু হাসারঙ্গা ও আবিষ্কা ফার্নান্দো ৪ রানে আউট হন। অ্যাডাম জাম্পা ৪ ওভারে ১২ রানে ২ উইকেট নেন। ৪ ওভারে ২৭ রান দিয়ে ২ উইকেট দখল করেন মিচেল স্টার্ক। প্যাট কামিন্স ২টি উইকেট পেয়েছেন ৩৪ রানের বিনিময়ে।জয়ের জন্য ১৫৫ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ঝড়ের গতিতে রান তুলতে থাকেন দুই ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার ও অ্যারন ফিঞ্চ। ৬.৫ ওভারে দলের ৭০ রানের মাথায় ২৩ বলে ৩৭ রান করে আউট হন ফিঞ্চ। এদিন টি২০ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২৫০০ রানের গণ্ডি পেরিয়ে গেলেন তিনি। তিন নম্বরে নামা গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (৫) সুবিধা করতে পারেননি। পরপর দুটি উইকেট পড়ে গেলেও মনসংযোগ হারাননি ডেভিড ওয়ার্নার। শেষ পর্যন্ত ৪২ বলে ৬৫ রান করে তিনি আউট হন। ওয়ার্নার যখন আউট হন, জয়ের জন্য অস্ট্রেলিয়ার দরকার ছিল ২৫। দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন স্টিভ স্মিথ (২৬ বলে অপরাজিত ২৮) ও মার্কাস স্টইনিস (৭ বলে অপরাজিত ১৬)। ১৭ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৫৫ তুলে ম্যাচ জিতে নেওয়ার পাশাপাশি নেট রান রেটও বাড়িয়ে রাখল অস্ট্রেলিয়া। ম্যাচের সেরা হয়েছেন অ্যাডাম জাম্পা।

অক্টোবর ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : আসালঙ্কা ঝড়ে উড়ে গেল বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা জিতল ৫ উইকেটে

আসালঙ্কা ঝড়ে উড়ে গেল বাংলাদেশ। সুপার ১২-র ম্যাচে মাহমুদুল্লার দলকে ৫ উইকেটে হারাল শ্রীলঙ্কা। অপরাজিত ৮০ রান করে ম্যাচের নায়ক চারিথ আসালঙ্কা। টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাট করতে পাঠান দানুস শনাকা। দারুণ শুরু করেছিলেন দুই ওপেনার মহম্মদ নঈম ও লিটন দাস। দুজনের ব্যাটেই বাংলাদেশের ছন্দে ফেরার ইঙ্গিত ছিল। আত্মবিশ্বাস নিয়ে শুরু করলেও বেশিক্ষণ ক্রিজে স্থায়ী হতে পারেননি লিটন দাস। ১৬ বলে ১৬ রানগ করে তিনি লাহিরু কুমারার বলে আউট হন। সাকিবকে দেখে মনে হচ্ছিল বড় রানের জন্য ক্রিজে নেমেছেন। আসালঙ্কার এক ওভারে দুটি বাউন্ডারি মারাতে ছিল তারই ইঙ্গিত। প্রথম রাউন্ডে দারুণ ছন্দে ছিলেন সাকিব। ফর্মে থাকা বাংলাদেশের এই অলরাউন্ডারের লেগ স্টাম্প ছিটকে দেন করুণারত্নে। ৭ বলে মাত্র ১০ রান করে তিনি আউট হন।অভিজ্ঞতার যে আলাদা মূল্য আছে বুঝিয়ে দিলেন মুশফিকুর রহিম। প্রথম রাউন্ডে ব্যাটে রান ছিল না। আসল সময়ে জ্বলে উঠলেন বাংলাদেশের এই অভিজ্ঞ ব্যাটার। ওপেনার মহম্মদ নঈমের সঙ্গে জুটি বেঁধে তোলেন ৭৩ রান। এই দুই ব্যাটারই বাংলাদেশকে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করিয়ে দেন। ১৭তম ওভারে বিনুরা ফার্নান্দোর প্রথম বলে নঈম আউট হন। ৫২ বলে তিনি করে ৬২। আফিফ হোসেন ৭ রান করে রান আউট হন। ৩৭ বলে ৫৭ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন মুশফিকুর রহিম। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৫টা ৪, ২টি ৬। অধিনায়ক মাহমুদুল্লা ৫ বলে ১০ রান করে অপরাজিত থাকেন। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৭১/৪ তোলে বাংলাদেশ।ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় শ্রীলঙ্কা। চতুর্থ বলেই ফিরে যান কুশল পেরেরা (১)। নাসুম আমেদের বলে তিনি বোল্ড হন। এরপর দলের বিপর্যয় সামাল দেন পাথুম নিসাঙ্কা ও চরিথ আসালঙ্কা। জুটিতে ওঠে ৬৯। বাংলাদেশকে ব্রেক থ্রু এনে দেন সাকিব আল হাসান। ২১ বলে ২৪ রান করে সাকিবের বলে বোল্ড হন নিসাঙ্কা। নিসাঙ্কাক আউট করে টি২০ বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ উইকেটের মালিক হয়ে গেলেন বাংলাদেশের এই অলরাউন্ডার। টপকে গেলেন শাহিদ আফ্রিদিকে (৩৯)। একই ওভারে তুলে নেন আভিষ্কা ফার্নান্দোকে (০)। পরের ওভারেই ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গাকে (৬) ফেরান সইফুদ্দিন।১১ বলের ব্যবধানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় শ্রীলঙ্কা। দলকে চাপ থেকে বার করে নিয়ে আসেন আসালঙ্কা ও ভানুকা রাজাপক্ষে। তাঁদের ৮৬ রানের জুটি শ্রীলঙ্কাকে জয়ের পথে এগিয়ে যায়। ৩১ বলে ৫৩ রান করে নাসুম আমেদের বলে আউট হন রাজাপক্ষে। তিনি যখন আউট হন শ্রীলঙ্কার রান তখন ১৬৫। এরপর বাকি কাজ সারেন আসালঙ্কা। তিনি ৪৯ বলে ৮০ রান করে অপরাজিত থাকেন। ৭ বল বাকি থাকতেই ১৭২/৫ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় শ্রীলঙ্কা।

অক্টোবর ২৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

S‌AAF Championship : শ্রীলঙ্কার কাছে আটকে গিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে সঙ্কটে ভারত

বাংলাদেশ তবু একটু শক্তিশালী প্রতিপক্ষ ছিল। কিন্তু শ্রীলঙ্কা? বাংলাদেশের তুলনায় অনেকটাই দুর্বল। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ভারতের থেকে ৯৮ ধাপ পিছিয়ে। এইরকম দলের কাছেও আটকে যেতে হল ভারতকে! শ্রীলঙ্কার সঙ্গে ম্যাচ গোলশূন্য ড্র করে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন থেকে অনেকটাই দুরে সরে গেলেন সুনীল ছেত্রিরা। ফাইনালে যেতে গেলে লিগের বাকি দুটি ম্যাচ শুধু জিতলেই হবে না, অন্য ম্যাচের দিকেও তাকিয়ে থাকতে হবে।বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকজন ফুটবলারের পারফরমেন্সে একেবারেই সন্তুষ্ট হতে পারেননি ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। তাই শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে প্রথম একাদশে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন করেন। ফুটবলারদের পজিশনও বদল করে দেন। আগের ম্যাচে রক্ষণে দলকে একেবারেই নির্ভরতা দিতে পারেননি প্রীতম কোটাল। তাই এদিন রক্ষণ আমূল বদলে দেন। শুভাশিস বসুকে ডিফেন্সে নামিয়ে নিয়ে আসেন ইগর স্টিম্যাক। সেন্ট্রাল ডিফেন্সে প্রীতম কোটালের পরিবর্তে সুরেশ সিংকে নামিয়ে রাহুল বেকেকে তাঁর সঙ্গে জুড়ে দেন। মাঝমাঠে ব্রেন্ডন, আক্রমণভাগে মনদীপ সিংদের প্রথম একাদশে জায়গা হয়নি।একগুচ্ছ পরিবর্তন করেও হাল ফেরেনি ভারতের। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সুনীল ছেত্রিদের যে দাপট ছিল, শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে প্রথমার্ধে সেই দাপট দেখা যায়নি। তার মাঝেই ম্যাচের ১৪ মিনিটে মন্দার রাওয়ের ক্রস থেকে গোল করার মতো সুযোগ এসে গিয়েছিল সুনীল ছেত্রির সামনে। শ্রীলঙ্কার গোলকিপার সুজন পেরেরা সুনীলের সেই প্রয়াস রুখে দেন। ২২ মিনিটে ডানদিক থেকে ভেসে আসা বলে অরক্ষিত অবস্থায় থেকেও হেডে বল জালে পাঠাতে ব্যর্থ লিস্টন কোলাসো। এটাই ছিল প্রথমার্ধের সবথেকে সহজ সুযোগ। এই দুটি সুযোগ ছাড়া প্রথমার্ধে বলার মতো আর কোনও সুযোগ তৈরি করতে পারেনি ভারত। মাঝমাঠ থেকে সেভাবে বল সরবরাহ না হওয়ায় সুনীল ছেত্রিও জ্বলে উঠতে পারেননি। দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য কিছুটা খেলায় ফেরে ভারত। রিস্টন কোলাসো, উদান্ত সিং, অনিরুদ্ধ থাপারা একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিলেন। ৬০ মিনিটে গোল করার মতো পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছিল। রিস্টন কোলাসোর পাস ৬ গজ বক্সের মধ্যে পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হন অনিরুদ্ধ থাপা। দ্বিতীয়ার্ধে রিস্টন কোলাসোর জায়গায় আব্দুল সামাদ ও অনিরুদ্ধ থাপার পরিবর্তে ফারুখ চৌধুরিকে নামান ইগর স্টিম্যাক। ৭২ মিনিটে জটলার মধ্যে থেকে শ্রীলঙ্কার জালে বল পাঠান ফারুখ। কিন্তু শুভাশিস শ্রীলঙ্কার এক ফুটবলারকে ফাউল করায় সেই গোল বাতিল হয়ে যায়। ৮৯ মিনিটে কর্ণার থেকে ভেসে আসা বল সুনীল ছেত্রি হেডে নামিয়ে দিলে গোলকিপারের সঙ্গে হাতমেলানো দুরত্ব থেকে অবিশ্বাস্যভাবে বল বারের ওপর দিয়ে উড়িয়ে দেন শুভাশিস বসু। শেষ দিকে প্রবল চাপ রেখেও জয় আসেনি। পরপর দুম্যাচে আটকে গিয়ে গভীর সঙ্কটে পড়ে গেল ভারত।

অক্টোবর ০৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

আমেরিকার ভোটে ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের জয়জয়কার! লস অ্যাঞ্জেলেসের মেয়র হলেন কেরলের নিত্যা

আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেল রিপাবলিকান শিবির। কংগ্রেসের দুই কক্ষ, সেনেট এবং হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভসের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দল। অন্য দিকে, বিভিন্ন জায়গায় জয় পেয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা। এই নির্বাচনে বিশেষ ভাবে নজর কেড়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত রাজনীতিকেরা। তাঁদের মধ্যে অন্যতম কেরলে জন্ম নেওয়া নিত্যা রমন। লস অ্যাঞ্জেলেসের মেয়র নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন তিনি। এই জয়ের ফলে শহরটির প্রথম এশীয়-আমেরিকান মেয়র হলেন নিত্যা। প্রতিদ্বন্দ্বী কারেন বাসকে হারিয়ে ৫১.১ শতাংশ ভোট পেয়েছেন তিনি। বাস পেয়েছেন ৪৮.৩৩ শতাংশ।এই নির্বাচনে শুধু নিত্যাই নন, জয় পেয়েছেন আরও কয়েক জন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহিলা। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন অরুণা মিলার। ১৯৬৪ সালের ৬ নভেম্বর হায়দরাবাদে জন্ম তাঁর। মাত্র সাত বছর বয়সে পরিবারের সঙ্গে আমেরিকায় চলে যান অরুণা। পরে মিসৌরি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা করেন। ১৯৮৯ সালে স্নাতক হওয়ার পর দীর্ঘ দিন সরকারি চাকরি করেন তিনি। পরে রাজনীতিতে যোগ দেন। ২০১০ সালে মেরিল্যান্ডের আইনসভায় নির্বাচিত হন অরুণা। ২০২২ সালে ডেমোক্র্যাট দলের প্রার্থী হিসাবে মেরিল্যান্ডের লেফটেন্যান্ট গভর্নর হন তিনি। এ বারও নির্বাচনে জয় পেয়েছেন অরুণা।এ বারের নির্বাচনে আরও এক নতুন মুখ পিয়া ডান্ডিয়া। ফ্লোরিডার ২২ নম্বর কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্ট থেকে হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভসে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। প্রায় ৫১.৯ শতাংশ ভোট পেয়েছেন পিয়া। পেশায় শিক্ষাবিদ এই ডেমোক্র্যাট নেত্রী ফ্লোরিডার পাম বিচ কাউন্টিতে জন্মগ্রহণ করেন। কর্মজীবনের শুরুতে শিক্ষকতা করতেন তিনি। পরে নিউ ইয়র্কের হারলেম এলাকার একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ হন। এই জয়ের ফলে ওই কেন্দ্র থেকে প্রথম ভারতীয় বংশোদ্ভূত প্রতিনিধি হিসাবে মার্কিন কংগ্রেসে জায়গা করে নিলেন পিয়া।আমেরিকার রাজনীতিতে ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের এই সাফল্য নতুন করে নজর কেড়েছে। চিকিৎসক, ইঞ্জিনিয়ার, আইনজীবী কিংবা শিক্ষাবিদ নানা পেশা থেকে উঠে এসে রাজনীতির ময়দানে নিজেদের জায়গা তৈরি করছেন তাঁরা। জন্ম বা বেড়ে ওঠা আমেরিকায় হলেও তাঁদের শিকড় জড়িয়ে রয়েছে ভারতের সঙ্গে।

নভেম্বর ০৬, ২০২৬
দেশ

২০২১ সালে বেকসুর খালাস, পরে ধর্ষণে দোষী সাব্যস্ত! তেজপালের সাজা নিয়ে কী বলল সুপ্রিম কোর্ট?

২০১৩ সালের ধর্ষণ মামলায় আপাতত কোনও স্বস্তি পেলেন না তেহেলকা পত্রিকার প্রাক্তন প্রধান সম্পাদক তরুণ তেজপাল। তাঁর ১০ বছরের কারাদণ্ডের সাজা স্থগিত করতে রাজি হল না সুপ্রিম কোর্ট। ফলে সাজা ও দোষী সাব্যস্ত হওয়ার বিরুদ্ধে তাঁর আবেদন বিচারাধীন থাকলেও আপাতত জেলেই থাকতে হবে তাঁকে।বৃহস্পতিবার বিচারপতি এম এম সুন্দরেশ এবং বিচারপতি প্রসন্ন বি ভারালের বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হয়। বম্বে হাই কোর্টের ৬ অগস্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছিলেন তেজপাল।২০১৩ সালে নিজের এক জুনিয়র সহকর্মীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল তেজপালের বিরুদ্ধে। ২০২১ সালে নিম্ন আদালত তাঁকে এই মামলায় বেকসুর খালাস করেছিল। কিন্তু সেই রায় খারিজ করে বম্বে হাই কোর্ট তাঁকে ধর্ষণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে এবং ১০ বছরের কারাদণ্ডের সাজা দেয়।হাই কোর্টের সেই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তেজপাল। তাঁর আবেদন ছিল, মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সাজা স্থগিত রাখা হোক। কিন্তু বৃহস্পতিবার সেই আর্জিতে সাড়া দেয়নি শীর্ষ আদালত। ফলে ধর্ষণ মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ডের সাজা আপাতত বহাল থাকল।

নভেম্বর ০৬, ২০২৬
দেশ

বোমাতঙ্ক বম্বে হাই কোর্টে! নিশানায় অমিতাভ বচ্চনের ‘জলসা’ও, তল্লাশি চালিয়ে কী পেল পুলিশ?

বম্বে হাই কোর্টে বোমা হামলার হুমকি দিয়ে ইমেল পাঠানোকে কেন্দ্র করে শুক্রবার মুম্বইয়ে চাঞ্চল্য ছড়াল। ওই ইমেলে আদালত চত্বর, মহালক্ষ্মী রেসকোর্স এবং বলিউড অভিনেতা অমিতাভ বচ্চনের বাংলো জলসায় হামলার আশঙ্কার কথা জানানো হয়। খবর পেয়েই তিনটি জায়গায় তল্লাশি চালায় পুলিশ। তবে কোথাও সন্দেহজনক কিছু মেলেনি বলে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন।এই হুমকি ইমেলটি কোথা থেকে পাঠানো হয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ইমেল পাঠানোর পিছনে কারা রয়েছে, তা জানার চেষ্টা চলছে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত কোনও বিপজ্জনক বস্তু বা সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায়নি। ঘটনার আরও বিস্তারিত তথ্যের অপেক্ষা রয়েছে।এর আগে গত ২ নভেম্বর, সোমবার মহারাষ্ট্রের একাধিক জেলা ও দায়রা আদালতেও বোমা হামলার হুমকি দিয়ে ইমেল পাঠানো হয়েছিল। আদালত চত্বরে বিস্ফোরণ ঘটানোর হুমকি দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে। সেই খবর পাওয়ার পরেই সংশ্লিষ্ট আদালতগুলিতে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ।বোমা শনাক্ত ও নিষ্ক্রিয়কারী দলও তল্লাশিতে অংশ নেয়। তবে দীর্ঘক্ষণ ধরে পরীক্ষা চালানোর পরেও কোথাও সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায়নি বলে পুলিশ জানিয়েছে। পর পর আদালতে বোমা হামলার হুমকি এবং এ বার বম্বে হাই কোর্টের পাশাপাশি অমিতাভ বচ্চনের বাড়ির নাম উঠে আসায় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

নভেম্বর ০৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

প্রাক্তন হকি অধিনায়কের বাড়িতে চুরি! নগদ-গয়নার সঙ্গে উধাও ১৯৮০ সালের অলিম্পিকের সোনার পদক

নগদ টাকা, সোনা-রুপোর গয়না তো ছিলই। এ বার চোরেদের হাত থেকে রেহাই পেল না অলিম্পিকের সোনার পদকও! প্রাক্তন ভারতীয় হকি অধিনায়ক এম এম সোমায়ার বাড়িতে চুরির ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ১৯৮০ সালের মস্কো অলিম্পিকে ভারতীয় দলের জেতা সোনার পদক-সহ একাধিক আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার পদক চুরি গিয়েছে। পাশাপাশি নগদ টাকা এবং মূল্যবান গয়নাও নিয়ে গিয়েছে দুষ্কৃতীরা। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তবে এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও এখনও ধরা পড়েনি অভিযুক্তেরা। উদ্ধার হয়নি চুরি যাওয়া সামগ্রীও।বেঙ্গালুরুর হ্যাল থার্ড স্টেজ এলাকায় থাকেন সোমায়া। এলাকাটি ইন্দিরানগর থানার অধীনে। গত ২৮ অক্টোবর রাতে এই চুরির ঘটনা ঘটে। সেই সময় পরিবারের সঙ্গে কোডাগুতে গিয়েছিলেন প্রাক্তন হকি তারকা। বাড়ি ফাঁকা থাকার সুযোগ নিয়ে চোরেরা সেখানে ঢুকে পড়ে। পরে প্রতিবেশীরা বাড়ির দরজা ভাঙা অবস্থায় দেখতে পান। তাঁরাই ফোন করে সোমায়াকে বিষয়টি জানান। এর পর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।পুলিশ সূত্রে খবর, চুরি যাওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ১৯৮০ সালের মস্কো অলিম্পিকে পাওয়া সোনার পদক। এ ছাড়াও ১৯৮২ সালের এশিয়ান গেমসে পাওয়া রুপোর পদক এবং ১৯৮৬ সালের সিওল এশিয়ান গেমস ও ১৯৮২ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ব্রোঞ্জ পদকও চুরি গিয়েছে। অর্থাৎ, সোমায়ার দীর্ঘ ক্রীড়াজীবনের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্মারক এখন চোরেদের হাতে।এ ছাড়া বাড়ি থেকে নগদ ৩০ হাজার টাকা, সোনা ও রুপোর গয়নাও নিয়ে গিয়েছে দুষ্কৃতীরা। সব মিলিয়ে চুরি যাওয়া সামগ্রীর আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩ লক্ষ ৫৩ হাজার টাকা।ঘটনার তদন্তে এলাকার বিভিন্ন বাড়ির নজরদারি ক্যামেরার ছবি খতিয়ে দেখছে পুলিশ। সোমায়ার বাড়ির উল্টো দিকের একটি বাড়ির ক্যামেরায় দুজন সন্দেহভাজনের ছবি ধরা পড়েছে। ফুটেজে দেখা গিয়েছে, ২৮ অক্টোবর রাত ২টো ৩৪ মিনিট নাগাদ ওই দুজন সোমায়ার বাড়িতে ঢুকেছিল। একজনের পরনে ছিল নীল রঙের জামা, অন্য জনের লাল।অভিযুক্তদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেফতার এবং চুরি যাওয়া সমস্ত সামগ্রী উদ্ধারের আবেদন জানিয়েছেন সোমায়া। পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্তের জন্য দুটি বিশেষ দল তৈরি করেছে। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩৩১(৪) এবং ৩০৫ ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে।ভারতীয় হকির ইতিহাসে পরিচিত নাম এম এম সোমায়া। দীর্ঘ দিন দলের হাফ ব্যাক হিসেবে খেলেছেন তিনি। তিনটি অলিম্পিকে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ভারতীয় দলের অধিনায়কত্বও সামলেছেন। তাঁর নেতৃত্বে ১৯৮৮ সালে নাইরোবিতে পুজো কাপ জেতে ভারত। ক্রীড়াক্ষেত্রে অবদানের জন্য ১৯৮৫ সালে তাঁকে অর্জুন পুরস্কার দেওয়া হয়।দেশের হয়ে অলিম্পিকে সোনা জেতা এক ক্রীড়াবিদের বাড়ি থেকে সেই পদকই চুরি যাওয়ার ঘটনায় উদ্বিগ্ন ক্রীড়ামহল। যে পদক এক সময় দেশের সাফল্যের স্মারক ছিল, সেটি এখন কোথায়, তা নিয়েই তৈরি হয়েছে প্রশ্ন।

নভেম্বর ০৬, ২০২৬
দেশ

প্রথমে স্ত্রীকে খুন, পরের দিন পার্টির নামে বাড়িতে ডেকে নৃশংস হত্যাকাণ্ড! কীভাবে সামনে এল ঘটনা?

স্ত্রীর বাপের বাড়ি যাওয়া নিয়ে দীর্ঘদিনের অশান্তি। সেই রাগ থেকেই স্ত্রী-সহ তাঁর পরিবারের সাতজনকে খুনের অভিযোগ উঠল এক গাড়িচালকের বিরুদ্ধে। বেঙ্গালুরুতে এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন সাত বছরের এক শিশুও। অভিযুক্তের নাম ইন্দুশেখর। দুদিন ধরে পরিকল্পনা করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান।পুলিশ সূত্রে খবর, প্রথমে নিজের স্ত্রী সুনীতাকে খুন করেন ইন্দুশেখর। তার পর তাঁর দেহ কাপড়ে মুড়ে নন্দী পাহাড়ের কাছে ফেলে আসেন। স্ত্রী নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি যাতে কারও সন্দেহ না হয়, তার জন্য তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেন অভিযুক্ত। প্রতিবেশীদের জানান, স্ত্রী বেড়াতে গিয়েছেন।এর পরের দিন আরও ভয়ংকর ঘটনা ঘটে। দুই শ্যালক শিবকুমার ও শঙ্করকে নিজের বাড়িতে পার্টির জন্য আমন্ত্রণ জানান ইন্দুশেখর। তাঁরা স্ত্রীদের নিয়ে বাড়িতে আসেন। অভিযোগ, সেখানেই তাঁদের উপর হামলা চালান অভিযুক্ত। একে একে খুন করা হয় দুই শ্যালক, তাঁদের স্ত্রী দিব্যা ও নলিনী, শাশুড়ি রূপবতী এবং শিবকুমারের সাত বছরের ছেলে পুনীতকে।পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, শ্যালক ও শাশুড়ির সঙ্গে সুনীতার ঘনিষ্ঠতা এবং তাঁদের কাছ থেকে পাওয়া সাহায্য পছন্দ করতেন না ইন্দুশেখর। এই বিষয়টি নিয়েই তাঁর মনে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষোভ জমেছিল। সেই আক্রোশ থেকেই পরিবারের সকলকে শেষ করে দেওয়ার পরিকল্পনা করেন বলে অভিযোগ।পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, স্ত্রী সুনীতাকে শিলবাটার পাথর দিয়ে আঘাত করে খুন করেন অভিযুক্ত। পরে সেই একই পাথর ব্যবহার করে শ্যালক ও পরিবারের অন্য সদস্যদেরও খুন করা হয় বলে অভিযোগ। হত্যাকাণ্ডের পর বাড়ির রক্তের দাগ মুছে ফেলতে রাসায়নিক ব্যবহার করেন তিনি। প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যেই এই কাজ করা হয়েছিল বলে মনে করছে পুলিশ।বৃহস্পতিবার নলিনীর মা শ্রীরামপুরা থানায় নিখোঁজের অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তে একের পর এক হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি সামনে আসে। এর পরেই গ্রেফতার করা হয় ইন্দুশেখরকে।অভিযুক্তের ব্যবহৃত গাড়িটিও বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। ওই গাড়িতে করেই দেহগুলি অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলে সন্দেহ তদন্তকারীদের। খুনে ব্যবহৃত শিলবাটার পাথরও উদ্ধার করা হয়েছে।এ দিকে নন্দী পাহাড়ের পাদদেশে প্রায় চার ঘণ্টা ধরে তল্লাশি চালিয়ে সাত বছরের শিশু পুনীতের দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত সেটিই প্রথম উদ্ধার হওয়া দেহ বলে জানা গিয়েছে। পুলিশের দাবি, জেরায় ইন্দুশেখর সাতজনকে খুনের কথা জানিয়েছেন। তবে তাঁর সমস্ত দাবি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বাকি দেহগুলির খোঁজেও তল্লাশি চলছে।এই হত্যাকাণ্ডে অন্য কেউ সাহায্য করেছিল কি না, তা-ও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এমনকি অভিযুক্তের মেয়ের কোনও ভূমিকা ছিল কি না, সেই বিষয়টিও তদন্তের আওতায় রয়েছে। পাশাপাশি, জনবসতিপূর্ণ এলাকায় একটি বাড়িতে এতগুলি হত্যাকাণ্ড ঘটলেও প্রতিবেশীরা কেন কিছু বুঝতে পারলেন না, তা নিয়েও তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।স্ত্রীর সঙ্গে পারিবারিক অশান্তি থেকে এমন ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড কীভাবে ঘটল, তার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। আপাতত অভিযুক্তের বয়ান, উদ্ধার হওয়া তথ্যপ্রমাণ এবং নিখোঁজদের খোঁজের উপরেই নির্ভর করছে তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপ।

নভেম্বর ০৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

১৮ বছরের অপেক্ষা শেষ করতে মরিয়া ভারত! নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে নামছেন বুমরাহ-জাদেজা, পন্থকে নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ

নিউজিল্যান্ডের মাটিতে শেষ বার টেস্ট সিরিজ জিতেছিল ভারত ২০০৮-০৯ মরসুমে। তার পর কেটে গিয়েছে দীর্ঘ ১৮ বছর। এ বার সেই অপেক্ষার অবসান ঘটাতে মরিয়া ভারতীয় দল। আসন্ন টেস্ট সিরিজের জন্য প্রস্তুতিতে কোনও খামতি রাখতে চাইছে না ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। তাই চোটের ঝুঁকি থাকলেও দলের প্রথম সারির ক্রিকেটারদের প্রস্তুতি ম্যাচে নামানো হচ্ছে। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের লড়াইয়েও এই সিরিজ ভারতের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।ইতিমধ্যেই নিউজিল্যান্ড এ দলের বিরুদ্ধে দুটি চার দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছেন ভারতীয় টেস্ট দলের কয়েক জন নিয়মিত ক্রিকেটার। এ বার সেই প্রস্তুতি ম্যাচের তৃতীয়টিতে খেলতে নামবেন জসপ্রীত বুমরাহ ও রবীন্দ্র জাডেজা। শনিবার থেকে শুরু হতে চলা এই ম্যাচের জন্য ভারত এ দলে যোগ দিয়েছেন দুজনেই। তাঁদের সঙ্গে দলে রয়েছেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণও।দীর্ঘ দিন মাঠের বাইরে থাকার পর ম্যাচের ছন্দ ফিরে পেতেই বুমরাহ ও জাডেজাকে এই ম্যাচে খেলানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে আসন্ন টেস্ট সিরিজের আগে দুজনের ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা থাকা জরুরি বলে মনে করছে ভারতীয় শিবির। অন্য দিকে, চোটের কারণে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে এক দিনের সিরিজে খেলতে পারবেন না প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। তাই তিনিও এই প্রস্তুতি ম্যাচে নিজেকে ঝালিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।তবে ভারতীয় শিবিরে স্বস্তির পাশাপাশি উদ্বেগও রয়েছে। তৃতীয় প্রস্তুতি ম্যাচেও খেলতে পারছেন না ঋষভ পন্থ। এখনও পুরোপুরি চোটমুক্ত হতে পারেননি ভারতীয় দলের এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটার। বর্তমানে তিনি রয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে। তাঁর পরিবর্তে ভারত এ দলে জায়গা পেয়েছেন তিলক বর্মা।শেষ বার অগস্ট মাসে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টেস্ট খেলেছিলেন পন্থ। সেই ম্যাচেই তাঁর পাঁজরের পাশের পেশিতে চোট লাগে। নিউজিল্যান্ড এ দলের বিরুদ্ধে তিনটি প্রস্তুতি ম্যাচেই পন্থের খেলার কথা ছিল। কিন্তু চোটের কারণে প্রথম দুটি ম্যাচে খেলতে পারেননি তিনি। তৃতীয় ম্যাচ থেকেও ছিটকে গেলেন।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, আগামী ১৯ নভেম্বর থেকে শুরু হতে চলা প্রথম টেস্টের আগে পন্থ পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠতে পারবেন কি না। তাঁকে নিয়ে চিন্তায় রয়েছে ভারতীয় শিবির। শুধু চোট সারলেই হবে না, নিউজিল্যান্ডের পরিবেশ ও পিচের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার জন্যও কিছুটা সময় প্রয়োজন। প্রথম টেস্টের আগে কতটা ম্যাচ অনুশীলন করতে পারবেন পন্থ, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে।নিউজিল্যান্ডের মাটিতে দীর্ঘ ১৮ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটাতে চাইছে ভারত। সেই লক্ষ্যেই বুমরাহ, জাডেজাদের প্রস্তুতি ম্যাচে নামানো হচ্ছে। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ সিরিজের আগে পন্থের চোট কতটা বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়, এখন সেটাই দেখার।

নভেম্বর ০৬, ২০২৬
দেশ

এসআইআর বিতর্কের মাঝেই নির্বাচন কমিশনে বড় রদবদল! সীমা খন্নার ক্ষমতায় কাটছাঁট, নয়া নির্দেশ জারি

এসআইআর নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের অন্দরে ফের বড় পরিবর্তন। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাজের দায়িত্ব বণ্টনে নতুন নির্দেশ জারি হয়েছে। এ বার থেকে কমিশনের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের ডিরেক্টর জেনারেল সীমা খান্নার অধীনে থাকা বিভিন্ন বিভাগের ফাইল সিনিয়র ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার পবন কুমার শর্মার মাধ্যমে পাঠাতে হবে। গত ৪ নভেম্বর এই সংক্রান্ত নতুন নির্দেশ জারি করেছে কমিশন। নির্দেশটি অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে।ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্কের সময় বার বার উঠে এসেছিল সীমা খান্নার নাম। বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, নির্বাচন কমিশনের কাজে তিনি অতিরিক্ত হস্তক্ষেপ করছেন। এমনকি ভোটার তালিকায় নাম তোলা বা বাদ দেওয়ার ক্ষেত্রে নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিকদের ক্ষমতা কমিয়ে দিল্লি থেকে পুরো প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছিল। সেই পরিস্থিতিতে নতুন নির্দেশ ঘিরে শুরু হয়েছে জল্পনা। অনেকের প্রশ্ন, তবে কি সীমা খান্নার ক্ষমতা কিছুটা কমানো হল?যদিও নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, এই নির্দেশের ফলে সীমা খান্নার পদমর্যাদা বা রিপোর্ট করার নিয়মে কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না। কমিশনের এক আধিকারিকের বক্তব্য, সীমা খান্না আগেও ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার পর্যায়ের আধিকারিকের কাছে রিপোর্ট করতেন। এখনও সেই ব্যবস্থাই থাকছে। কমিশনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই নতুন করে কাজের দায়িত্ব ভাগ করা হয়েছে।কেন বার বার বিতর্কে নির্বাচন কমিশনের কাজের দায়িত্ব বণ্টন? গত কয়েক মাস ধরে এই বিষয়টি নিয়ে কমিশনের অন্দরেই মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে বলে খবর। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার ছাড়াও কমিশনের অন্য দুই সদস্য বিবেক জোশী এবং সুখবীর সিং সান্ধু কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। এর মধ্যে কাজের দায়িত্ব বণ্টন সংক্রান্ত একটি নির্দেশও ছিল।এর আগে চলতি বছরের ২৮ জুলাই কাজের দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে নতুন নির্দেশ জারি হয়েছিল। সেই নির্দেশে তৎকালীন ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার সঞ্জয় কুমারের কাছ থেকে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের দায়িত্ব সরিয়ে সীমা খান্নার হাতে দেওয়া হয়েছিল। এর ফলে তিনি সরাসরি রিপোর্ট করার সুযোগ পান। কিন্তু এই সিদ্ধান্তে আপত্তি জানান কমিশনের দুই সদস্য।নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য, ডেপুটেশনে থাকা অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার এক আইএএস আধিকারিক ওই নির্দেশ জারি করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটি কার্যকর হয়নি। ২৯ জুলাই এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে দুই নির্বাচন কমিশনার আলাদা ভাবে ক্যাবিনেট সচিবকে চিঠি দেন। পরের দিন, অর্থাৎ ৩০ জুলাই, তাঁদের যৌথ নির্দেশের পর ২৮ জুলাইয়ের নির্দেশ কার্যকর করা হয়নি বলে জানিয়েছে কমিশন।এ দিকে এসআইআর প্রক্রিয়ার পর ভোটার তালিকা সংশোধনের জন্য নতুন উদ্যোগের কথাও জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। যাঁদের নাম এসআইআর চলাকালীন ভোটার তালিকায় ওঠেনি এবং যাঁরা নতুন করে ভোট দেওয়ার যোগ্য হয়েছেন, তাঁদের জন্য বিশেষ সংক্ষিপ্ত সংশোধন প্রক্রিয়া চালু করা হবে। এর মাধ্যমে নতুন ভোটারদের নাম তোলা এবং ভোটার তালিকায় প্রয়োজনীয় সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হবে।কমিশনের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, আগামী ৩০ নভেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে। ওই তালিকা নিয়ে দাবি ও আপত্তি জানানোর শেষ দিন ১২ ডিসেম্বর। জমা পড়া দাবি ও আপত্তির নিষ্পত্তি করতে হবে ২০২৭ সালের ১৬ জানুয়ারির মধ্যে। তার পর ২০২৭ সালের ২১ জানুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।উল্লেখ্য, এসআইআর প্রক্রিয়ায় বহু ভোটারের নাম বাদ যাওয়ার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে বিরোধী দলগুলি। এই নিয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তাঁর অভিযোগেও উঠে এসেছিল সীমা খান্নার নাম।অন্য দিকে, নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ২৭ মে-র নির্দেশে সুপ্রিম কোর্ট এসআইআর প্রক্রিয়া বহাল রেখেছে। ফলে এক দিকে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ এগোচ্ছে, অন্য দিকে কমিশনের অন্দরে দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে নতুন নির্দেশ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

নভেম্বর ০৬, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতা-সহ ৭ পুরসভায় এখনই ভোট নয়! হাই কোর্টের নির্দেশে বড় ধাক্কা, কবে হবে নির্বাচন?

কলকাতা, হাওড়া-সহ রাজ্যের সাতটি পুরসভায় এখনই হচ্ছে না নির্বাচন। ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পুরভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি করতে পারবে না রাজ্য নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার কলকাতা হাই কোর্টের অবকাশকালীন ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছে। আদালতের এই সিদ্ধান্তে পুরভোট নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কবে নির্বাচন হবে, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।শুক্রবার বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য এবং বিচারপতি অর্জুন রায় মুখোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত মামলার শুনানি ছিল। সেখানেই আদালত জানিয়ে দেয়, এই মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পুরসভাগুলির নির্বাচন নিয়ে কোনও বিজ্ঞপ্তি জারি করা যাবে না। অর্থাৎ, আগে ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত আইনি জট কাটাতে হবে। তার পরেই ভোটের প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবে নির্বাচন কমিশন।রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর থেকেই বিভিন্ন পুরসভার ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের কাজ শুরু করে সরকার। কলকাতা পুরসভার ক্ষেত্রে ওয়ার্ডের সংখ্যা ১৪৪ থেকে বাড়িয়ে ২০৯ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে প্রথম থেকেই সরব হয়েছিল বিরোধী দলগুলি। তাদের আপত্তি শেষ পর্যন্ত আদালত পর্যন্ত গড়ায়।পুজোর ছুটির মধ্যে মামলা দায়ের হওয়ায় বিষয়টি হাই কোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চে ওঠে। শুক্রবার সেই মামলার শুনানির পর আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের মামলা মিটে যাওয়ার আগে পুরভোটের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা যাবে না। ফলে নভেম্বরের শেষ দিকে নির্বাচন হতে পারে বলে যে জল্পনা তৈরি হয়েছিল, তা আপাতত অনিশ্চিত হয়ে পড়ল।দীর্ঘদিন ধরেই রাজ্যের একাধিক পুরসভা ও পুরনিগমে নির্বাচন হয়নি। কোথাও পুরবোর্ডের মেয়াদ শেষ হয়েছে, কোথাও আবার পুরবোর্ড ভেঙে যাওয়ার পর প্রশাসকেরা দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। এর ফলে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন নাগরিক পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। দ্রুত নির্বাচন করানোর পক্ষে সওয়াল করে আসছিল রাজ্য সরকারও।আদালতের নির্দেশের পর এই বিষয়ে মুখ খুলেছেন বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, আদালতের নির্দেশের পর এ বিষয়ে তাঁদের কিছু বলার থাকতে পারে না। তবে দীর্ঘদিন ভোট না হলে সাধারণ মানুষকেই সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। তাই যত দ্রুত সম্ভব ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত মামলার নিষ্পত্তি হওয়া প্রয়োজন।হাই কোর্টের এই নির্দেশের পর কলকাতা, হাওড়া-সহ সাতটি পুরসভায় কবে নির্বাচন হবে, তা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। আপাতত ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত মামলার নিষ্পত্তির দিকেই নজর রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষের।

নভেম্বর ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal